গেমসের অন্যতম সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ভিলেজ। যেখানে সব দেশের সব খেলার খেলোয়াড়রা একসাথে থাকেন। আবাসন সংকটের জন্য জাপান কিছু হোটেল, কিছু ক্রুজ, আবার কিছু কন্টেইনারে রেখেছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ক্রুজকে ঘিরে।

অলিম্পিক ভিলেজেও নির্দিষ্ট অনুমতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যেতে পারে মিডিয়া। কিন্তু এবার এশিয়ান গেমসের ভিলেজ যাওয়া তাদের জন্য বেশ কড়াকড়িই নয়, অসম্ভবও। তাই ক্রুজে যাওয়ার সুযোগ মেলেনি সেভাবে। বাংলাদেশের অ্যাথলেট, কর্মকর্তা, কোচদের মাধ্যমে ক্রুজ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ জিমন্যাস্ট দলের ম্যানেজার হাবিবুর রহমান জামিল বলেন, ‘চার-পাঁচ স্তরের চেকিং রয়েছে ক্রুজে। অবস্থান একটু দূরে হওয়ায় কিছুক্ষণ হাঁটতে হয়। ১২-১৩ তলার উপর ক্রুজের ছাদে অবশ্য খুব সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করা যায়।’ এত বড় ক্রুজে তৃতীয় ও নবম তলা ডাইনিং। সেখানে সব দেশের সব উপযোগী খাবার রয়েছে। ক্রুজ অনেক বড় হওয়ায় একাধিক লিফট ব্যবহার করতে হয়।

ক্রুজে বাংলাদেশের আট ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়েরা রয়েছেন। অ্যাথলেটদের ফিট থাকতে জিম-সুইমিংয়ের দরকার হয়। ক্রুজে সেই ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে সেটা আয়তনে খানিকটা ছোট। ‘বড় বাথরুমের দুটো কিংবা তিনটা বাথটাবের মতো একেকটা সুইমিংপুল’, বলেন জিমন্যাস্ট রাজিব চাকমা।

ক্রুজের আগমন মূলত আবাসন সংকট কাটাতে। সেই আবাসন অবশ্য পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্য নয়। আরচ্যারি দলের ম্যানেজার সৈয়দ তানভীর রায়হান বলেন, ‘রুমের জায়গা খুবই ছোট। যাদের রুম একটু ভেতরের দিকে তারা আলো বাতাস কম পায়। এর চেয়ে বড় বিষয়, জায়গা ছোট হওয়ায় খাট ও রুমের স্পেসও কম। এতে দুই জন থাকতে হচ্ছে, আবার কোনো রুমে আলাদা সোফায় আরেকজন।’

এমএম