চার বছর আগে ব্রাজিল বিশ্বকাপে ডার্ক হর্স ছিল তারা। রাশিয়া বিশ্বকাপেও ডার্ক হর্স বলা হচ্ছে বেলজিয়ামকে। কারণটা ঠিকই বুঝিয়ে দিলেন লুকাকু-হ্যাজার্ডরা।

প্রথমার্ধে তিউনেশিয়ার জালে ৩ গোল দেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোল করে রেড ডেলিভসরা। এরপর ৫-২ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন হ্যাজার্ড-মিউনুয়েলরা। 

ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন চেলসি ফরোয়ার্ড হ্যাজার্ড। বেলজিয়ামের ওই শুরু। এরপর নিয়মিত বিরতিতে গোল করে গেছে বেলজিয়াম। ৬ মিনিটের গোলের পর রোমেল লুকাকু গোল করেন ম্যাচের ১৬ মিনিটে।

এরপর অবশ্য ১৮ মিনিটের মাথায় ফ্রি কিক থেকে দারুণ এক হেড করে ব্যবধান কমায় তিউনেশিয়া। ওই গোলে বেলজিয়ামকে তারা বেশ ঝাম ঝরাবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু লুকাকু-হ্যাজার্ডের সামনে অসহায় হয়ে গেল তিউনিশরা। 

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান ৩-১ এ নিয়ে যান ম্যানইউ স্ট্রাইকার লুকাকু। রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই করে ফেলেন ৪ গোল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করেন হ্যাডার্জ।

ম্যাচের বাকি সময়ে বেলজিয়ামের আক্রমণে ত্রস্ত ছিল তিউনিশরা। ৯০ মিনিটে বাটশুয়ারি তিনটি সহজ সুযোগ মিস করার পর গোল করে ব্যবধান ৫-১ করেন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে ব্যবধান কমিয়ে ৫-২ করে তিউনেশিয়া। 

এমআর