টেস্ট ওয়ানডে না হলেও টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের শক্তির জানান আগেই দিয়েছে আফগানিস্তান।
তাই তো প্রথম রাউন্ডের পরিবর্তে সুপার ১২ থেকেই শুরু হচ্ছে তাদের বিশ্বকাপ মিশন। শারজায় আজ তাদের প্রতিপক্ষ চমক দেখিয়ে প্রথম রাউন্ড উতরানো স্কটল্যান্ড।
সুপার-১২ এ স্কটিশদের খেলা অনুমিতই ছিল। কিন্তু তারা যে গ্রুপ সেরা হয়ে চ্যাম্পিয়ন হবে তা হয়তো কল্পনাতেও আনেননি ক্রিকেট বিজ্ঞরা। তাও আবার বাংলাদেশকে হারিয়ে।
অতীত ছাপিয়ে এখন সুপার-১২ এ ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত কাইল কোয়েটজারের দল। কিন্তু সেই অতীতই বারবার বলছে আফগানদের সামনে পড়লে অসহায় হয়ে পড়ে তারা।
এখনো পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে তাদের ৬ ম্যাচ খেলে জয় পায়নি একটিতেও।
আফগান জুজু কাটাতে মরিয়া স্কটিশ স্পিনার মার্ক ওয়াট বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা আরও কিছু অঘটন ঘটাতে যাচ্ছি। যা এর আগেও করেছি।
আমরা বিশ্বের সেরা ওয়ানডে দলকে হারিয়েছি, এখানে এসে বাংলাদেশকে হারিয়েছি। আমি মনে করি, আমরা সত্যিই দুর্দান্ত ফর্মে আছি।
প্রতিপক্ষরা আমাদের হালকাভাবে নিবে না। তাদের স্কটল্যান্ড নিয়ে চিন্তিত থাকতে হবে।’ প্রথম রাউন্ডে স্কটিশ বোলারদের প্রশংসা না করলে বরং অন্যায় হবে।
পেস আক্রমণটা খুব ভালোভাবেই সামলে যাচ্ছেন জশ ডেভি, সাফইয়ান শরিফরা। একই সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছেন ওয়াট, লিস্কের মতো স্পিনাররাও। তাদের ব্যাটসম্যানদের দিতে হবে কঠিন পরীক্ষা।
রশিদ খান, মুজিবুর রহমানরা আফগানদের মূল শক্তি। বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের বোকা বানিয়ে এসেছেন তারা।
এবার সেটি দেখানোর পালা বিশ্বকাপ মঞ্চে। রশিদের জন্য এটি দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। আগের বিশ্বকাপে দিয়েছিলেন আগমনী বার্তা। কিন্তু এবার তার কাঁধেই আফগানদের স্বপ্ন।
যদিও কিছুদিন আগেও দেশটির ক্রিকেট নিয়ে চলছিল অস্থিরতা। একদিক থেকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রভাব ফেলেছে তো বটেই।
আরেক দিকে বিশ্বকাপ দল ঘোষণার দিনই অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন রশিদ খান। সেই ব্যাটনটা এখন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবীর হাতে।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়েও কিছুটা ঘাটতি আছে নবীদের। তিন সপ্তাহে আগেই আরব আমিরাতে পাড়ি দিতে চাইলেও ভিসা জটিলতা কাতারে প্রস্তুতি নেয় তারা।
তবে কম সময়ে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন নবীরা, ‘টুর্নামেন্টে আমরা আমাদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব।’
নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে নবী বলেন, ‘এটা নির্ভর করে ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর। যেখানে দল চাইবে সেখানেই খেলতে প্রস্তুত আমি।
যদি টপ অর্ডারে চাপের কারণে আমরা রান না পাই, তাহলে উইকেট বাঁচিয়ে শেষ সময় পর্যন্ত থাকার চেষ্টা করব এবং স্লগে উড়িয়ে মারার চেষ্টা করব।’
এইচএন





