খুলনা টেস্টের দ্বিতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের সামি আসলামকে বিদায় করে দিলেন বাংলাদেশের বোলার তাইজুল ইসলাম।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৮ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান সংগহ করেছে পাকিস্তান। ক্রিজে আছেন মোহাম্মদ হাফিজ (৩৭) ও আযহার আলী (৭)।
১২তম ওভারে তাইজুলের ৫ম বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে দেন পাকিস্তানের সামি আসলাম। কিন্তু আম্পায়ার সামিকে আউট না দিলে রিভিউ নেন দলনেতা মুশফিক। রিপ্লে দেখে তৃতীয় আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত জানান।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে তাইজুল ইসলামের পঞ্চম বলে মুশফিকুর রহিমকে ‘ক্যাচ’ দেন মোহাম্মদ হাফিজ। আম্পায়ার স্বাগতিকদের আবেদনে সাড়া দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। বল ব্যাটে না লাগায় সিদ্ধান্ত পাল্টে হাফিজকে নট ‘আউট’ ঘোষণা করেন মাঠের আম্পায়ার।
এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৩৩২ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
বুধবার খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৪ উইকেটে ২৩৬ রান নিয়ে খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম সেশনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান যোগ করে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় সেশনে মাত্র ৭ রান যোগ করে শেষ দুই উইকেট হারায় তারা।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। ২৫ রান করে ফিরে যান আইসিসির টেস্ট র্যাাঙ্কিংয়ের শীর্ষ অলরাউন্ডার।
ষষ্ঠ উইকেটে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ৬২ রানের চমৎকার একটি জুটি উপহার দেন মুশফিক। টেস্ট অভিষেকে বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সৌম্য। আত্মবিশ্বাসী সব শট খেলা এই ব্যাটসম্যান অবশ্য বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি।
এক সময়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৩০৫ রান। এরপর মাত্র ২৭ রান যোগ করতে শেষ ৫ উইকেট হারানোয় সাড়ে তিনশ’ রান পর্যন্তও যেতে পারেনি স্বাগতিকরা।
মোহাম্মদ হাফিজের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আসাদ শফিকের ভালো ক্যাচে পরিণত হওয়া সৌম্য করেন ৩৩ রান। পরের ওভারে ফিরে যান মুশফিকও (৩২)। বাংলাদেশের অধিনায়ককে মিসবাহ-উল-হকের ক্যাচে পরিণত করেন ইয়াসির শাহ।
নিজের পরের ওভারে আবার আঘাত হানেন ইয়াসির। এবার তাইজুল ইসলামকে (১) বোল্ড করেন তিনি।
৮ উইকেটে ৩২৫ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। এরপর মাত্র ৩ ওভার স্থায়ী হয় তাদের ইনিংস। ৭ রান যোগ করতে শেষ দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শহীদ ও রুবেল হোসেনের উইকেট হারায় তারা।
শুভাগত হোম চৌধুরী অপরাজিত থাকেন ১২ রানে।
তিনটি করে উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা দুই বোলার ওয়াহাব রিয়াজ ও ইয়াসির শাহ।
জেডআই





