বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিষয় গঠিত দুর্নীতি দমন ট্রাইবুন্যালের রায়ের বিপক্ষে আপিল করবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
২০১৩ সালের বিপিএল-এর ম্যাচ ফিক্সিংয়ের গঠনায় দুর্নীতি দমন ট্রাইবুন্যাল গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে ট্রাইবুন্যালের রায়ে ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সের মালিক শিহাব চৌধুরীকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়। ট্রাইবুন্যালের তদন্তের আগে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান আশরাফুল ইসলাম। ট্রাইবুন্যাল শ্রীলঙ্কার লেগস্পিনার কৌসল লুকারচ্চি ও নিউজিল্যান্ডের লু ভিনসেন্টকে দোষী হিসেবে সাব্যস্ত করে। কিন্তু বাকি ছয় জন খেলোয়াড়কে নির্দোষ বলে রায় দেয়া হয়। এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি হাতে পাওয়ার পর হতাশা ব্যক্ত করেছে আইসিসি ও বিসিবি।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “দুর্নীতি দমন ট্রাইবুন্যালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পেয়েছে আইসিসি ও বিসিবি পেয়েছে বলে নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু তাদের ফলাফল দেখে আমরা খুবই হতাশ হয়েছি। ট্রাইবুন্যাল যে কারণ দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমাদের মতকে উপেক্ষা করা হয়েছে”।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “কয়েক জন খেলোয়াড়ের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার ব্যাপারে আইসিসির কাছে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু রায়ে তাদের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় আনা হয়নি”।
আপিলের বিষয় ইঙ্গিত দিয়ে আইসিসি জানায়, “পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করার জন্য আমাদের হাতে সুযোগ আছে। আমরা বিশ্বাস করি এই রায়ের বিপক্ষে আপিল করার মতো যথেষ্ট প্রমাণাদি আমাদের হাতে আছে”।
আইসিসি এখন দুই জায়গায় আপিল করতে পারবে। প্রথমমত: বিসিবি শৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী প্যানেলের চেয়ারম্যানের কাছে। দ্বিতীয়ত: সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত ক্রীড়া আদালতে।
ঢাকা, ১৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) //জেডআই





