রেকর্ডের মালা গেঁথে চলেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন অনেক আগে। এবার ইউরোপিয়ান খেলোয়াড়দের মধ্যে আন্তর্জাতিক গোল সংখ্যায় পাশে বসলেন কিংবদন্তি জার্ড মুলার ও রবি কিনের।
গত পরশু রাতে লাটভিয়াকে ৪-১ গোলে হারানো ম্যাচে জোড়া গোল রোনালদোর। একটি পেনাল্টি মিস না করলে করতে পারতেন হ্যাটট্রিকও।
এই দুই গোলে মুলার ও কিনের সমান ৬৮ গোল এখন রোনালদোরও, যা ইউরোপিয়ানদের মধ্যে চতুর্থ সর্বোচ্চ। সামনে কেবল ফেরেঙ্ক পুসকাস (৮৪), স্যান্দর ককসিস (৭৫) ও মিরোস্লাভ ক্লোসা (৭১)।
ইউরোপিয়ান বাছাই পর্বে গ্রুপ ‘বি’র অপর ম্যাচে সুইজারল্যান্ড ২-০ গোলে ফ্যারো আইল্যান্ডকে ও হাঙ্গেরি ৪-০ গোলে হারিয়েছে অ্যান্দোরেকে।
জাতীয় দলে রোনালদো গোল পেলেন টানা তৃতীয় ম্যাচে। নিজেদের মাঠে দুর্বল লাটভিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন ২৮ মিনিটের পেনাল্টিতে। ৫৮ মিনিটে আরেকটি পেনাল্টিতে পোস্টে মেরে সুযোগ হাতছাড়া করেন রোনালদো।
উল্টো ৬৭ মিনিটে আর্তুর্স জিউজিন্সের গোলে সমতা ফেরায় লাটভিয়া। দুই মিনিট পরই উইলিয়াম কারভালহোর হেডে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। ৮৫ মিনিটে রিকার্দো কারেসমার ক্রস ছয় গজ বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ে দারুণ ভলিতে জালে জড়ান রোনালদো।
কিছুক্ষণ পর তাঁর একটি শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবারও হাতছাড়া হয় হ্যাটট্রিকের সুযোগ। ইনজুরি টাইমে ব্রুনো আলভেসের গোলে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। তার পরও ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘বি’র দ্বিতীয় স্থানে পর্তুগাল।
ইউরো মিস করা নেদারল্যান্ডস বাছাই পর্বেও ছিল ছন্নছাড়া। লুক্সেমবার্গকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসাটা তাদের জন্য স্বস্তির। আরিয়েন রবেনের গোলে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে গেলেও ৪৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান চ্যানোত।
মেমফিস দেপেইয়ের দুই গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাচরা। এস্তোনিয়াকে ৮-১ গোলে হারানো ম্যাচে বেলজিয়ামের হয়ে জোড়া গোল দ্রিস মের্টেনস ও রোমেলু লুকাকুর। এই গ্রুপের অপর ম্যাচে বসনিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে গ্রিস।
এএফপি
মাহমুদ.





