আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির জোড়া গোলে এইবারকে হারিয়ে লা লিগায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান মজবুত করল বার্সেলোনা।
শনিবার স্প্যানিশ লিগের লড়াইয়ে স্বাগতিক এইবারকে ২-০ গোলে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।
এর ফলে লিগে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে চার পয়েন্ট এগিয়ে গেছে বার্সেলোনা। ২৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৬৫। এক ম্যাচ কম খেলে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে দীর্ঘ দিন শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ।
এদিকে ২৭ ম্যাচে ৫৭ ও ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে ভ্যালেন্সিয়া ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।
আগামী সপ্তাহে এল ক্ল্যাসিকোতে দুই দল মুখোমুখি হবার আগে রিয়ালের সামনে সুযোগ আছে পয়েন্টের ব্যবধান কমানোর। সোমবার লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচে জিততে পারলে বার্সেলোনার থেকে এক পয়েন্ট পিছিয়ে এল ক্ল্যাসিকোতে মাঠে নামবে গ্যালাকটিকোরা।
বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচটির থেকে সাতটি পরিবর্তন করে শনিবারপ্রথম একাদশ তৈরি করেছিলেন বার্সা বস লুইস এনরিকে। ক্ল্যাসিকোকে সামনে রেখে খেলোয়াড়দের বিশ্রামের বিষয়টি বিবেচনা করেই এনরিকের এই সিদ্ধান্ত।
এইবারের দারুণ গোছানো রক্ষণভাগের সামনে কাতালানদের প্রায়ই থমকে দাঁড়াতে হয়েছে। কিন্তু ৩১ মিনিটে ডেডলক ভাঙ্গেন মেসি। তারই একটি শট এইবারের ডিফেন্ডার বোরা একিজার হাতে লাগলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন।
বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনার হয়ে গত ১১টি পেনাল্টির মধ্যে পাঁচটিতেই গোল করতে না পারা চারবারের বর্ষসেরা ফুটবলার অবশ্য এবার আর কোনো ভুল করেননি। বাম পায়ের জোড়ালো শটে তিনি সফরকারীদের এগিয়ে দেন।
রাকিটিচের দারুণ এক পাস থেকে লুইস সুয়ারেজ বিরতির আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ হন। এরপর মেসির থ্রু বল থেকে নেইমার এইবারের গোলরক্ষক জেইমি জিমেনেজকে পরাস্ত করতে পারেননি।
কিন্তু বিরতির পরে সেই মেসিই দলের জয় নিশ্চিত করেন। রাকিটিচের কর্নার থেকে অনেকটা ফাঁকায় দাঁড়ানো মেসি হেডের সাহায্যে দলের ৫৫ মিনিটে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
এর ফলে এবারের মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ৩২, সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা রোনাল্ডোর গোলসংখ্যা ৩০।
দুই গোলে এগিয়ে স্বস্তিতে থাকা বার্সা বস ৬২ ও ৭০ মিনিটে নেইমার ও রাকিটিচের পরিবর্তে পেড্রো রড্রিগুয়েজ এবং জাভি হার্নান্দেজকে মাঠে নামান। বার্সেলোনার হয়ে এটি ছিল জাভির ক্যারিয়ারের ৭৫০তম ম্যাচ।
জেডআই





