একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানের দেয়া ১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই তিনটি উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৮ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন সাকিব (১০) ও সাব্বির (১০)।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ হাফিজের দ্বিতীয় বলে ছক্কায় দিয়ে রানের খাতা খোলেন তামিম। পরের দুই বলে আরো দুটি চার। পঞ্চম বলে রান নিতে গিয়ে সাঈদ আজমলের হাতে আউট হন সৌম্য।
তৃতীয় ওভারে উমর গুলের দ্বিতীয় বলে স্লিপে মোহাম্মদ হাফিজের তালুবন্দী হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ১০ বলে ১৪ রান করা তামিম।
মুশফিক ও সাকিব দলের রানের চাকা ঘুরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে ওয়াহাব রিয়াজের চতুর্থ বলে ইনসাইডের ফলে বোল্ড হন মি. ডিপেন্ডবল মুশফিক। মাঠ ছাড়ার আগে ১৫ বলে ৪টি চারে ১৯ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি।
শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময় ১৪৯ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটির মুখতার আহমেদ ও আহমেদ শেহজাদ। গড়ে তোলেন ৫০ রানের জুটি।
অবশেষে ৯ম ওভারে তাসকিনের শেষ বলে দুর্দান্ত অকল্পনীয় এক ক্যাচ ধরে শেহজাদকে বিদায় করে দেন টাইগার নেতা মাশরাফি। ৩১ বলে মাত্র ১৭ রান করে শেহজাদ।
১১তম ওভারে অভিষিক্ত মুস্তাফিজুর রহমানের চতুর্থ বলে উইকেটরক্ষক মুশফিকের হাতে ক্যাচ আউট হন শহীদ আফ্রিদি। ৯ বলে একটি ছক্কায় ১২ রান করেই সাজঘরে ফিরেছেন পাক অধিনায়ক।
১৩তম ওভারে আরাফাত সানির প্রথম বলে মুশফিকের হাতে স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন পাকিস্তানের ওপেনার মুখতার আহমেদ। এর আগে ৩০ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৭ রান করেন।
চাপে পড়ে যাওয়া পাকিস্তান দলের হাল ধরেন হারিস সোহাইল ও মোহাম্মদ হাফিজ। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৩৪ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১৮ বলে ২৬ রান করা হাফিজকে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে ফেলে তাদের জুটি ভেঙে দেন বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজ।
শেষ পর্যন্ত ২৬ রান নিয়ে হারিস সোহাইল ও ১২ রান নিয়ে সোহাইল তানভীর অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের সেরা বোলার ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে দুটি উইকেট শিকার করেন। একটি করে উইকেট পান আরাফাত ও তাসকিন।
জেডআই





