দুবাই টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে প্রথম দিনের নায়ক বনে গেছেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টম লাথাম। টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া লাথামের অপরাজিত ১৩৭ রানের উপর ভর করে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ২৪৩ রান করেছে কিউইরা।
সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টস ভাগ্যে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্বান্তটা যে সঠিক ছিল লাথামকে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতেই তার প্রমাণ দেন ম্যাককালাম। শুরু থেকেই পাকিস্তানী বোলারদের দেখেশুনে খেলতে থাকেন এই দুই ব্যাটসম্যান। ফলে বিনা উইকেটে ৫০ রানের কোঠা অতিক্রম করে নিউজিল্যান্ড।
তবে উদ্বোধনী জুটিকে ৭৭ রানের বেশি এগোতে দেননি দেড় বছর পর জাতীয় দলের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা এহসান আদিল। ব্যক্তিগত ৪৩ রানে ম্যাককালামকে থামিয়ে দেন ডানহাতি এই পেসার।
ম্যাককালাম ফিরে গেলেও, কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে আবারো রান তোলায় মনোযোগী হন লাথাম। ব্যাট হাতে ভালোই এগোচ্ছিলেন তারা। ফলে এই জুটিও স্বাদ পায় অর্ধশতকের। তবে প্রথম জুটির মতই প্রায় একই, অর্থ্যাৎ ৭৬ রান যোগ হবার পর ভাঙ্গে এই জুটি। ৩২ রানে থাকা উইলিয়ামসনের উইকেট উপড়ে ফেলে পাকিস্তানকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন বাঁ-হাতি স্পিনার জুলফিকার বাবর।
এরপর লাথামকে সঙ্গ দিতে উইকেটে আসেন রস টেইলর। সতীর্থ টেইলরের সঙ্গ পেয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির স্বাদ পেয়ে যান লাথাম। ষষ্ঠ টেস্টে এসে টানা দ্বিতীয়বারের মত তিন অংকের কোঠা স্পর্শ করেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৩ রান করেছিলেন তিনি।
লাথামের সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে থেকে দিন শেষ করার স্বপ্ন দেখছিলো নিউজিল্যান্ড, ঠিক তখুনিই পাকিস্তানকে তৃতীয় সাফল্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহ। লাথামের সাথে ৭৩ রানের জুটি গড়ে ২৩ রান করে আউট হন টেইলর।
এরপর দিনের শেষভাগটা কোন বিপদ ছাড়াই শেষ করেন লাথাম ও কোরি এন্ডারসন। নির্ধারিত ওভারের ৩ ওভার আগে শেষ হয় প্রথম দিনের খেলা। এসময় লাথাম ১১টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৫৮ বলে ১৩৭ রানে এবং এন্ডারসন ৭ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস : ২৪৩/৩, ৮৭ ওভার (লাথাম ১৩৭*, ম্যাককালাম ৪৩, আদিল ১/৪৭)।
জেডআই





