স্কটিশদের আক্ষেপ অবশ্যই আকাশছোঁয়া। ইশ, আর ৩০-৩৫টি রান হলেই তো হতো! ১৪৩ রান তাড়া করতে নেমেই নিউজিল্যান্ডের যে কাঁপাকাঁপি অবস্থা, তাতে রান আর কিছু বেশি হলে যে কী হতো! স্কটল্যান্ডের বেঁধে দেওয়া ১৪৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত জিতেছে কিউইরা, তবে সেই জয় খুব একটা আনন্দদায়ী হচ্ছে না নিউজিল্যান্ড সমর্থকদের জন্য। স্কটল্যান্ডের ১৪২ রান পেরোতেই যে সাতটি উইকেট হারাতে হয়েছে তাদের দলকে!

ডানেডিনে আজ বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলল নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই শক্তিশালী শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে যে দলের শুরু, তাদের সামনে ‘ছোট মাছ’ স্কটল্যান্ড যে কোনো ব্যাপার নয়, এমন আলাপ করছিলেন অনেকেই। কিন্তু সেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপে এসে এখনো জয়শূন্য স্কটল্যান্ড রাখল লড়িয়ে মানসিকতার স্বাক্ষর। বল হাতে নৈপুণ্যটা তাদের হলো দুর্দান্তই, একেবারে অপ্রত্যাশিত। ব্যাটিংটা ভালো হলে আয়ারল্যান্ডের পদাঙ্ক যে তারা অনুসরণ করতে পারত, সেটা বলে দেওয়াই যায়।

স্কোরবোর্ডে স্কটল্যান্ডের রানটা ছিল মামুলি। সেই মামুলি লক্ষ্যে ব্যাট চালিয়ে নিউজিল্যান্ডের সহজ জয়ের প্রত্যাশা থাকলেও আদতে সেটা হয়নি। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল আউট হন ১৭ রানে, অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম সাজঘরমুখী হন ১৫ রানে। কেন উইলিয়ামসন ৩৮ রান করে দলকে বাঁচান সমূহ বিপদের হাত থেকে। রস টেলর ছিলেন ব্যর্থ। তিনি ফেরেন মাত্র ৯ রানে।

গ্র্যান্ট এলিয়টের ২৯ রান ছিল নিউজিল্যান্ড ইনিংসের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। তিনি একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে নিয়ে যান জয়ের দিকে। কোরি অ্যান্ডারসনের ব্যাট থেকে আসে ১১, লুক রঙ্কির সংগ্রহ ছিল ১২ রান। শেষের দিকে অভিজ্ঞ ভেট্টরি ৮ রানে অপরাজিত থেকে দলকে নিয়ে যান নিরাপদ গন্তব্যে।

স্কটল্যান্ডের সংগ্রহের বিপরীতে নিউজিল্যান্ড কিন্তু বেশ দ্রুততার সঙ্গেই রান তাড়া করেছে। তবে তাদের সমস্যাটা হয়েছে বেশিসংখ্যক উইকেট পড়ে যাওয়ায়। এ ​ক্ষেত্রে স্কটল্যান্ডকে কৃতিত্ব দিতেই হচ্ছে। তাদের দুই সেরা বোলার ছিলেন ইয়ান ওয়ার্ডল ও জশ ডেভি। দুজনেই ৩টি করে উইকেট নিয়ে শঙ্কায় ফেলে দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডকে। একটি উইকেট গেছে মজিদ হকের ঝুিলতে। সূত্র: স্টার স্পোর্টস।

এএইচ