এখন পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মিলানের দল দুটি দু’বার মুখোমুখি হয়েছিল। ২০০২-০৩ ও ২০০৪-০৫ মৌসুমের দেখায় প্রতিবারই অপরাজেয় ছিল এসি মিলান। অন্যান্য ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায়ও পিছিয়ে আছে ইন্টার মিলান। সেই পরিসংখ্যানই এবারও পুনরাবৃত্তি ঘটবে নাকি নতুন ফল দেখবে ফুটবলবিশ্ব সেটি জানা যাবে আজ রাতে, অবশ্য এরপর তাদের আবার দ্বিতীয় লেগেও মুখোমুখি হতে হবে। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
এর আগে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে মিলান ডার্বির সবশেষ সাক্ষাৎ হয় ২০০২-০৩ মৌসুমে। সেবার অ্যাওয়ে গোলে এগিয়ে থেকে ফাইনালে ওঠে মিলান। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় পঞ্চমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এসি মিলান ও ইন্টার মিলান। দুই দলের সবশেষ চার দেখায় হারেনি এসি মিলান, জয় ও ড্র দুটি করে।
চলতি মৌসুমে এরই মধ্যে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে মিলান ও ইন্টার। যেখানে সবশেষ দুই ম্যাচেই জয় ইন্টারের, হেরেছে অন্যটিতে। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের পর আর কখনও এক মৌসুমে ইন্টারের বিপক্ষে তিনবার হারেনি এসি মিলান। এই মৌসুমে ইন্টারের সঙ্গে প্রথম দেখায় ৩-২ গোলে জিতেছিল এসি মিলান (গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত সিরি ‘আ’-য়)। কিন্তু দলটির বিপক্ষে গত দুই ম্যাচে জয় তো দূরের কথা, কোনো গোলই করতে পারেনি এসি মিলান; ইতালিয়ান সুপার কাপে ৩-০ এবং সিরি ‘আ’-য় তারা ১-০ ব্যবধানে হেরে যায়।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবশেষ ৬ ম্যাচে কেবল একটি গোল হজম করেছে এসি মিলান, সেটি ছিল নাপোলির বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে। এই ৬ ম্যাচে প্রতিপক্ষের ৮৬ শটের মুখোমুখি হয় তারা, যেখানে ২৭টি শট লক্ষ্যে ছিল। অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে খেলা ১০ ম্যাচের ৬টিতে কোনো গোল হজম করেনি ইন্টার। এর আগে এক মৌসুমে ইউরোপিয়ান কাপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক আসরে কখনও সাত ম্যাচে ক্লিন শিট রাখতে পারেনি ইতালিয়ান দলটি।
এসি মিলানের হয়ে চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ ৩৭টি ড্রিবল সম্পন্ন করেছেন রাফায়েল লেয়াও, ২০০৪-০৫ মৌসুমে কাকার পর যা সর্বোচ্চ। সেবার ব্রাজিলের সাবেক তারকা কাকাও ৩৭টি ড্রিবল করেছিলেন। এদিকে, ইন্টারের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্টিনেজ এসি মিলানের বিপক্ষে ১২ ম্যাচ খেলে ৭ গোল করেছেন। দলটির বিপক্ষে তার প্রথম গোল ছিল ২০১৯ সালের মার্চে। সেই থেকে মিলানের বিপক্ষে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কেউ এত গোল করতে পারেননি।
এবি





