পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনা টেস্টের প্রথম দিন শেষে চার উইকেটের বিনিময় ২৩৬ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে স্বস্তিতেই দিন পার করছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দিনের এক বল বাকি থাকতে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন টাইগারদের হাল ধরা মুমিনুল। রিভিউ নিলেও তার রক্ষা হয়নি। ফলে শেষ মুহুর্তে একটি দুঃস্বপ্ন নিয়ে এ দিনের খেলা শেষ করল স্বাগতিকরা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুভ সূচনা করেন ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
ব্যক্তিগত ১৬ রানে একবার জীবন পান তামিম ইকবাল। জুলফিকার বাবরের বলে লেগস্লিপে মোহাম্মদ হাফিজকে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি আগের দুই টেস্টেই শতক করা এই ব্যাটসম্যান।
ইয়াসির শাহর বলে শর্ট লেগে আজহার আলিকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তামিম (২৫)। তার বিদায় ভাঙে ৫২ রানের উদ্বোধনী জুটি।
মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৬০ রান।
১২ ও ৩০ রানে দুইবার জীবন পাওয়া ইমরুল কায়েস ফিরেন অর্ধশতক করেই। মোহাম্মদ হাফিজকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ইমরুলের (৫১) বিদায়ে ভাঙে ৪০ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি।
তৃতীয় উইকেটে ওয়ানডাউনে মাঠে নামা মুমিনুল ও মাহমুদুল্লাহ গড়ে তোলেন এক শক্তিশালী জুটি। তৃতীয় সেশনে অর্ধশতকে পৌঁছে যান মুমিনুল হক।
তবে অর্ধশতকের আফসোস নিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন মাহমুদুল্লাহ। ওয়াহাব রিয়াজের বলে উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদের গ্লাভসবন্দি হন মাহমুদুল্লাহ (৪৯)। তার বিদায়ে ভাঙে ৯৫ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি।
সাকিবকে নিয়ে রানের চাকা ঘুরাতে থাকেন মুমিনুল। ৯০তম ওভারে জুলফিকার বাবরের ৫ম বলে এলবিডব্লিউ'র শিকার হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে ১৬২ বলে ৮টি চারের সুবাদে ৮০ রান করেন এই ব্যাটসম্যান।
১৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
পাকিস্তানের বোলার ওয়াহাব রিয়াজ, মোহাম্মদ হাফিজ, ইয়াসির শাহ ও জুলফিকার বাবর একটি করে উইকেট পান।
জেডআই





