২০০৯ সালে সোহেল খানের টেস্ট অভিষেক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১৬৪ রানে শূণ্য উইকেট)। দূত্যি ছড়াতে ব্যর্থ হওয়ায় আড়াই বছর পর দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সৌভাগ্য হয় তার (৮১ রানে ১ উইকেট)।
সেখানেও ব্যর্থ হওয়ায় দল থেকে ছিটকে যান পাঁচ বছরের জন্যে। পাক্কা পাঁচ বছর পর ডানহাতি পাকিস্তানি পেসার ফিরলেন স্বরূপে। বৃহস্পতিবার সাদা জার্সিতে ফিরে সোহেল খান নিয়েছেন ৫ উইকেট। তার দারুণ বোলিংয়ে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২৯৭ রানে অলআউট। ৮৬ ওভার খেলার পর প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নামেনি। এজবাস্টনে দিনটি ছিল পুরোটাই পাকিস্তান, সোহেল খানের।
অ্যালেক্স হেলসের উইকেট দিয়ে ইংলিশ শিবিরে আক্রমণ শুরু সোহেল খানের। অফস্ট্যাফের বাইরের লাফিয়ে উঠা বল খোঁচা মেরে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন হেলস (১৭)। এরপর পাকিস্তানকে বড় সাফল্য এনে দেন ডানহাতি এ পেসার। আগের ম্যাচের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান জো রুটকে (৩) সাজঘরে পাঠান অসাধারণ এ ডেলিভারীতে। এরপর ভিঞ্চ (৩৯) ও বেয়ারস্টোর (১২) উইকেট নিয়ে শেষ সেশনের আগেই চার উইকেট তুলে নেন ৩২ বছর বয়সি এ পেসার। ইংল্যান্ড শিবিরের শেষ উইকেটটিও নেন সোহেল খান। ইনসুইং ডেলিভারীতে এলবিডাব্লিউ হন জেমস এন্ডারসন। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে পারেনি ইংলিশ পেসার।
ইংলিশদের হয়ে লড়াই করা মঈন আলীকে (৬৩) ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য পান মোহাম্মদ আমির। এরপর স্টুয়ার্ট ব্রডের উইকেটও নেন আমির। এছাড়া আরেক বামহাতি পেসার রাহাত আলী অ্যালিস্টার কুক (৪৫) ও ক্রিস ওয়াকসের (৯) উইকেট নিয়েছেন। ইয়াসির শাহ পেয়েছেন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রান করা গ্যারি ব্যালেন্সের উইকেট।
এমএনজে





