খুলনা টেস্টের চতুর্থ দিন তামিম ইকবালের পর শতক করেছেন আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসও।

৬০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৭২ রান। তামিম ইকবাল ১৩৮ ও ইমরুল কায়েস ১৩১ রানে ব্যাট করছেন।

শুক্রবারখুলনা টেস্টের চতুর্থ দিন পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম শতকে পৌঁছান তামিম।অর্ধশতকে পৌঁছাতে ৬৩ বল খেলেন তামিম। এই সময়ে তার ব্যাট থেকে আসে ৭টি চার।রান তিন অঙ্কে যেতে খেলেন আরো ৬০ বল। এই সময়ে তার ব্যাট থেকে আসে আরো ৪টিচার ও ৩টি ছক্কা।

জুনায়েদ খানের বলে পরপর দুটি চার হাঁকিয়ে শতকে পৌঁছান তামিম।

৬১ টেস্টে ছয় শতক করেছিলেন আশরাফুল। ৩৮তম টেস্ট খেলতে নেমে তাকে ছাড়িয়ে গেলেন বাংলাদেশের সেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। 

১৫৩ বলে নিজের রান তিন অঙ্কে নিয়ে যান ইমরুল। তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতকটি ১১টি চার ও ৩টি ছক্কা সমৃদ্ধ।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ৬২৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকরা ৩৩২ রানে অলআউট হওয়ায় ২৯৬ রানের লিড পায় তারা।

শুক্রবার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৫ উইকেটে ৫৩৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান।

আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান সরফরাজ আহমেদ ও আসাদ শফিক স্বাগতিকদের হতাশ করে পাকিস্তানকে এগিয়ে নিতে থাকেন।

বৃহস্পতিবারযেখানে শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই যেন শুরু করেন সরফরাজ-শফিক। দ্রুত রানতুলতে থাকা এই জুটি ভাঙার কৃতিত্ব অভিষিক্ত মোহাম্মদ শহীদের। তার বলে বদলিফিল্ডার লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরেন সরফরাজ।

৮৮ রান করেপাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের বিদায়ে ভাঙে ১২৬ রানের ষষ্ঠ উইকেটজুটি। এরপর আর ভালো করতে পারেনি অতিথিরা। স্বাগতিকদের চমৎকার বোলিংয়ে ৩৪রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতেবিভ্রান্ত হয়ে দ্রুত ফিরে যান পাকিস্তানের শেষ ব্যাটসম্যানরা। ছয় টেস্টেরছোট্ট ক্যারিয়ারে এনিয়ে তৃতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট নেয়ার পথে ওয়াহাব রিয়াজ, ইয়াসির শাহ ও জুলফিকার বাবরকে আউট করেন তাইজুল।

১৬৩ রানে ৬ উইকেটনিয়ে তাইজুল বাংলাদেশের সেরা বোলার। এই দিনের পতন হওয়া অন্য উইকেটটি নেনসাকিব আল হাসান। ফিরতি ক্যাচ নিয়ে শফিককে ফেরান বিশ্বের অন্যতম সেরাঅলরাউন্ডার।

শুক্রবারও মাঠে নামেননি বাংলাদেশের অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষকমুশফিকুর রহিম। তার জায়গা আগের দুই দিনের মতো ‘কিপিং’ করেন ইমরুল কায়েস।দিনের আট ওভার খেলা হওয়ার পর তিনি সরে দাঁড়ালে গ্লাভস হাতে উইকেটে পেছনেআসেন মাহমুদউল্লাহ। পরে বাবরকে স্টাম্পিংও করেন তিনি।

জেআই