২৯৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা বাংলা ঝড়ে মাঠে টিকতেই পারছে না। শুরুতে ব্যাটিং বির্পযয়ে পড়া আফ্রিকান দলটি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারল না। মাশরাফিদের বোলিং তোপে ৩১ ওভারে ১২৯ রান সংগ্রহ করতে হারিয়েছে ৭টি উইকেট। এখন ব্যাট হাতে লড়াই করে যাচ্ছেন অধিনায়ক চিগুম্বুরা (২৪) ও মাদজিভা (২)।

বুধবার শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৯ রান সংগ্রহ করতেই উইকেট হারায় সফরকারীরা। তৃতীয় ওভারে মাশরাফির দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আরাফাত সানির তালুবন্দী হন সিবান্দা (৯)। পঞ্চম ওভারে আবার বল হাতে আক্রমণ চালান মাশরাফি। এবার প্রথম বলেই মুশফিকের তালুবন্দী হন হ্যামিল্টন মাসাকদজা (১২)।

দলীয় ৩৯ রানে রুবেল হোসেনের বলে মাশরাফির হাতে ক্যাচ আউট হন মারুমা। এরপর মিরিকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন ব্রেন্ডন টেইলর। তবে ১২ রান করা মিরির পর সাজঘরে ফিরে গেছেন ২৮ রান করা টেইলর।

এর আগে এনামুল হকের ভীত গড়ে দেয়া ইনিংস। সাকিব-মুশফিকের হাল ধরা জুটি। আর শেষ দিকে মাহমুদুল্লাহ ও সাব্বিরের রানের চাকা ঘুরানো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়েকে ২৯৮ রানের টার্গেট বেঁধে দিয়েছে টাইগাররা।

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেছিল বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। জুটি ভেঙেছে দলীয় ১২১ রানে। উইকেটের প্রান্ত বদল করতে গিয়ে আউট হয়েছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। সাজঘরে ফেরার আগে ৪০ রান করেছেন বাঁহাতি এই ক্রিকেটার।

এনামুলকে যথাযথ সঙ্গ দিতে পারেননি মুমিনুল হক। নিজের নামের পাশে ১৫ রান যোগ হতেই মাসাকাদজার বলে ক্যাচ আউট হয়েছেন তিনি। দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়া এনামুল সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ থেকে বিদায় নিয়েছেন। কামুঙ্গিুজির বলে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১২০ বলে নয়টি চারের সুবাদে ৯৫ রান করেছেন তিনি।

এরপর দলকে আশার আলো দেখানো সাকিব আউট হয়েছেন ৪০ রান করে। ৩৩ বল খেলে পানিয়ানগারার বলে চিগুম্বুরার হাতে ক্যাচ আউট হন এই অল রাউন্ডার। দলের রানের খাতায় আর পাঁচ রান যোগ হতে সেই পানিয়ানগারার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ২২ বলে ৩৩ রান করা মুশফিক।

নতুন করে জুটি বাঁধেন মাহমুদুল্লাহ ও সাব্বির রহমান। যেন ৩০০ রান করার লক্ষ্যে ব্যাট চালিয়েছেন তারা। এতে পাঁচ ওভারে গড়ে তোলেন ৪৬ রানের জুটি। কিন্তু ৪৯ তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মারুমার তালুবন্দী হন ১৩ বলে ২২ রান করা সাব্বির। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৩৩ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মাহমুদুল্লাহ। তার সঙ্গে মাত্র ২ রান নিয়ে খেলা শেষ করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

জিম্বাবুয়ের বোলার পানিয়ানগারা সর্বোচ্চ দুটি উইকেট পান। এছাড়া মাদজিভা, কামুঙ্গিজি ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা একটি করে উইকেট পান।

জেডআই