স্বাগতিক বাংলাদেশের দেওয়া ২৭৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে শত রান তুলে নিয়েছে ইংলিশরা। এরপরই মিরাজ-সাকিবের ঘুর্ণিতে ধস নামে ইংল্যান্ড শিবিরে। মিরাজ তুলেন নিলেন আবারো ৬ উইকেট। অভিজ্ঞ সাকিব ৪ উইকেট তুলে নিয়ে স্বপ্নের জয় ছিনিয়ে আনলেন।

এশিয়ায় এর আগে সর্বোচ্চ ২০৯ রান তাড়া করে জিতেছিল ইংলিশরা। শতরানের পরপরই মিরাজ এবং সাকিব আঘাত হানেন ইংলিশ শিবিরে।  এর পরই মিরাজ আতঙ্কে ভূগতে থাকা ইংল্যান্ডের আরো ৫ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্নের জয়ে মূল ভূমিকা পালন করেন।

অন্যদিকে, সাকিবের ১ ওভারের ঘূুর্ণতে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ধস নামান ইংল্যান্ড শিবিরে। সাবমিলিয়ে সাকিব নেন ৪ উইকেট।

এর আগে তৃতীয় দিনের শুরুটা ভালোই করেছিলেন ইমরুল আর সাকিব। দুইজন মিলে ৪৮ রানে জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ২০০ রানের লিড এনে দেয়। তবে এরপরই ঘটে ছন্দপতন। ব্যক্তিগত ৭৮ রান করে মঈন আলির বলে এলবিডব্লিও হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ইমরুল।

ইমরুলের বিদায়ের পর সাকিব-মুশফিকের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে ছিল টাইগার সমর্থকরা। তবে দুইজনই হতাশ করলো। আদিল রশিদের বলে বোল্ড হয়ে সাকিবের (৪১) বিদায়ের পরের ওভারেই স্টোকসের বলে কুককে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন মুশফিকও (৯)।

এরপর শুভাগত হোমের সঙ্গে ৩০ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ১৫ রান করে আদিল রশিদের দ্রুত গতির সোজা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন সাব্বির রহমান।

মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরে তাইজুল, মিরাজ আর রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে আরও ২৮ রান তোলে শুভাগত। এতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯৬। আর ইংলিশদের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ২৭৩ রানের।

এসএম