পাকিস্তানের লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহ’র রেকর্ড স্পর্শ করার দিন কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট হাতে রেখে ১৬৬ রানের লিড নিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলংকা। কৌশল সিলভা ও অধিনায়ক এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরির উপর ভর করে দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩০৪ রান তুলেছে লংকানরা। প্রথম ইনিংসে ১৩৮ রানে অলআউট হয়েছিলো পাকিস্তান।

১ উইকেটে ৭০ রান নিয়ে কলম্বোর পি.সারা ওভাল স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলংকা। সিলভা ২১ ও কুমার সাঙ্গাকারা ১৮ রান দিনের খেলা শুরু করেন। সিলভা বড় ইনিংস খেলতে পারলেও, অহেতুক বাজে শট খেলে আউট হয়েছেন সাঙ্গাকারা। ৭০ বলে ৩৪ রান করেন তিনি।

এরপর উইকেট আসা লাহিরু থিরিমান্নেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, ইনিংসে ইয়াসিরের প্রথম শিকার হবার আগে ৭ রান করেন তিনি। ফলে ৩ উইকেটে ১১৯ রানে পরিণত হয় শ্রীলংকা। সেখান থেকে দলের স্কোর ১৯১ রানে নিয়ে যান সিলভা ও ম্যাথুজ। লংকান দলপতির সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউটের ফাঁদে পড়ার আগে ৮০ রান করেন সিলভা।

এরপর দিনেশ চান্ডিমাল ও কিথুরুয়ান ভিথানাগেকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে পাকিস্তানকে খেলায় ফেরান ইয়াসির। কিন্তু পরবর্তীতে ঠিকই শ্রীলংকার স্কোর বোর্ডকে শক্তপোক্ত করেছেন ম্যাথুজ। তার ৭৭ রানের সুবাদে বড় লিডও পেয়ে যায় শ্রীলংকা। সেই সাথে ধাম্মিকা প্রসাদের ৩৫ রানও ছিলো স্বাগতিকদের লিডের উপকরন। ফলে ৩শ’ রানের কোঠা পেরোয় লংকানরা।

শ্রীলংকার বড় সংগ্রহের দিন পাকিস্তানের নায়ক ছিলেন ইয়াসির। দিনের খেলা শেষ হবার ১ ওভার আগে থারিন্দু কৌশলকে আউট করে ইনিংসে নিজের ৫ উইকেট পূর্ণ করেন ইয়াসির। সেই সাথে পাকিস্তানের হয়ে ক্যারিয়ারে নবম ম্যাচেই দ্রুত ৫০ উইকেট শিকারের কীর্তিও গড়লেন তিনি। ফলে ইয়াসিরের পেছনে পড়লেন মোহাম্মদ আসিফ, ওয়াকার ইউনিস, সাব্বির আহমেদ, সাইদ আজমলসহ আরো অনেকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর কার্ড (দ্বিতীয় দিন শেষে) :

পাকিস্তান : ১৩৮/১০, ৪২.৫ ওভার (হাফিজ ৪২, আজহার ২৬, কৌশল ৫/৪২)।

শ্রীলংকা : ৩০৪/৭, ১১৮.২ ওভার (সিলভা ৮০, ম্যাথুজ ৭৭, ইয়াসির ৫/৯৫)।

জেডআই