বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে একের পর এক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে স্বাগতিক ব্রাজিল। স্টেডিয়াম নির্মাণে দুর্ঘটনা, সাধারণ মানুষের বিশ্বকাপ বিরোধী বিক্ষোভের পর এবার যোগ হলো পুলিশের ধর্মঘট। বুধবার থেকে দেশটির ২৪টি প্রদেশে ২৪ ঘন্টার ধর্মঘটের আহ্বান করেছে পুলিশের ইউনিয়ন। যার মধ্যে ছয়টি প্রদেশে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বকাপ শুরু হবার মাত্র ২২দিন আগে এই ধর্মঘটের কারণে আধা-সরকারি পুলিশ বাহিনীর ৭০ শতাংশ কাজ থেকে বিরত থাকবে। যারা অপরাধ বিষয়ক তদন্তকাজে নিয়োজিত। ধর্মঘটের কারণে অন্যান্য রাজ্যের মত সমস্যার মধ্যে পড়বে রিও ডি জেনিরো, সাও পাওলো, মিনাস গেরাইস, বাহিয়া পেরনামবাকো ও অ্যামাজোনাস প্রদেশও। এসব প্রদেশে আসন্ন বিশ্বকাপের অনেকগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
রাজধানী ব্রাসিলিয়া বেষ্টিত ফেডারেল জেলা ছাড়াও ব্রাজিলে সর্বমোট ২৬টি রাজ্য রয়েছে। সেখানে ফেডারেল পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্তের নিরাপত্তা বিধান করা। বুধবার তারাও প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। তবে তারা ধর্মঘটে যাবে না বলে জানিয়েছে তাদের ইউনিয়ন।
গত সপ্তাহে জনগনের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মিলিটারি পুলিশও উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য পেরনামবাকোতে অংশিক ধর্মঘট পালন করেছে। রাজ্যটির প্রাদেশিক রাজধানী বিশ্বকাপের ভেন্যু রেসিফেতেও এর ঢেউ লাগে এবং এ সময় লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
বিশ্বকাপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা বলেন,‘টুর্নামেন্ট চলাকালে ধর্মঘটের ফলে যে কোন আকষ্মিক ঘটনা মোকাবেলার জন্য তাদের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশটির বিচার মন্ত্রী হোসে এডুয়ার্ডো কার্ডোজো গত মাসে পুলিশের ধর্মঘট পালন সম্পর্কে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের উদ্বৃতি দিয়ে বলেছেন যে, ‘পুলিশের ধর্মঘট পালন বেআইনি ও সংবিধান বিরোধী’। আইনের ওই বিধানের কারণে আমি মনে করি না দেশের কাছে দায়বদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের দেশের সম্মানকে জলাঞ্জলি দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে দেশকে অগ্রহযোগ্য পরিস্থিতির মধ্যে ফেলবে।'
ঢাকা, ২১ মে (টাইমনিউজবিডি) //জেডআই
খেলা
ধর্মঘট ডেকেছে ব্রাজিলের পুলিশ
বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে একের পর এক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে স্বাগতিক ব্রাজিল। স্টেডিয়াম নির্মাণে দুর্ঘটনা, সাধারণ মানুষের বিশ্বকাপ বিরোধী বিক্ষোভের পর এবার যোগ হলো পুলিশের ধর্মঘট।





