মেসি ও দিয়েগো ম্যারাডোনার নামের পাশে ৯১ সংখ্যাটা দেখে আতকে ওঠার কিছুই নেই। সংখ্যাটা মূলত দুই প্রজন্মের দুই তারকার আন্তর্জাতিক ম্যাচের পরিসংখ্যান। এই পরিসংখ্যানের পেছনে রয়েছে রহস্যও।

১৯৭৭ সালে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে অভিষেক হয়েছিল দিয়েগো ম্যারাডোনার। এরপর দলের নিয়মিত একাদশে অপরিহার্য হয়ে ওঠেন তিনি। অভিষেকের ৫ বছর পর বিশ্বকাপে পথচলা কিংবদন্তি এই ফুটবলারের। সেবার ভালো করেনি আর্জেন্টিনা। ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপের দলের প্রধান হাতিয়ার ছিলেন ম্যারাডোনা। তার অসাধারণ নৈপূণ্যে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। ১৯৯০ সালেও দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন। কিন্তু জার্মানির কাছে হেরে শিরোপা স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হয়েছিল তাদের।

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপসহ মোট মোট ৪টিতে খেলেন ম্যারাডোনা। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে মোট ১৯টি ম্যাচ খেলে ৮ গোল করেন তিনি। সব মিলে আকাশী-নীল জার্সি গায়ে ৯১ ম্যাচে ৩৪টি গোল করেন ম্যারাডোনা।

এদিকে, আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার দিক থেকে ম্যারাডোনাকে ছুয়ে ফেললেন মেসি। বেলজিয়ামের বিপক্ষে বার্সেলোনা সুপারস্টারের ম্যাচটি ছিল ৯১তম। জাতীয় দলে মোট গোলের দিক থেকে ফুটবল ঈশ্বরকে ছাড়িয়ে গেছেন মেসি। নামের পাশে যোগ করেছেন ৪২টি গোল।

তবে বিশ্বকাপে এখনো ম্যারাডোনাকে স্পর্শ করতে পারেননি তিনি। ব্রাজিল বিশ্বকাপের ৪টিসহ মোট ৫ গোল করেন আর্জেন্টিনার বর্তমান অধিনায়ক। ২০০৫ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল মেসির। বিশ্বকাপ খেলেছেন তিনটি (২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪)। তবে এক বারও বিশ্বকাপ জিততে পারেননি তিনি।

এবার মেসির সামনে রয়েছে বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। ইতোমধ্যে দল উঠে গেছে সেমিফাইনালে। শিরোপার থেকে দুই ধাপ দূরে রয়েছে মেসির আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ জিততে পারলে ম্যারাডোনাকে ছাপিয়ে আর্জেন্টাইনদের মুখে হয়তো মেসি, মেসি, মেসি ধ্বনি শোনা যাবে!

ঢাকা, ৬ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই