৩২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী মার্সিয়া সিবেলে আওকিকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন পেলে।পেলের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হয় ডিয়েগো ম্যারাডোনাকেই। কে সেরা—তা নিয়ে ঢের বিতর্ক। দুজনের বাকযুদ্ধ খুব নিয়মিত ঘটনা।
তুলনাটা হয় মূলত দুই কিংবদন্তির মাঠের পারফরম্যান্স নিয়েই। প্রেমের ময়দানে ম্যারাডোনা দিয়েছে একের পর এক গোল! পেলে কেন বসে থাকবেন? ব্রাজিল কিংবদন্তিও ছুটছেন দুরন্ত গতিতে। ৭৩ বছর বয়সে আবারও বসতে যাচ্ছেন বিয়ের পিঁড়িতে।
পাত্রীকে অবশ্য চেনার কথা। ৩২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী মার্সিয়া সিবেলে আওকির সঙ্গে ২০১০ সাল থেকে হূদয়ের লেনাদেনা চলছে পেলের। এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ও জার্মানি-আর্জেন্টিনা ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এসেছিলেন দুজনে।
জনসম্মুখেও এসেছেন বহুবার। বয়সে ৪১ বছরের বড় হলেও পেলের সঙ্গে প্রেমের লেনাদেনা করতে কোনো সমস্যাই হচ্ছে না আওকির। বরং সম্পর্কটা আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
এ দিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন পেলে। ফুটবল কিংবদন্তি প্রথম বিয়ে করেছিলেন ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, রোজেমেরি দস রেইজ সলবিকে।
দুই কন্যা ছাড়াও কদিন আগে জেল হওয়া ছেলে এডিসনের জন্মও এ ঘরেই। সলবির সঙ্গে পেলের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ১৯৮২ সালে।
১৯৮১ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পেলে সম্পর্ক গড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রী জুজা মেনেগেলের সঙ্গে। দুজনের সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে গেলে ১৯৯৪ সালে পেলে বিয়ে করেন মনোবিদ ও গায়িকা লেমস সিয়াক্সাসকে। এ ঘরে জন্ম নেয় যমজ সন্তান। দুজনের সম্পর্কও অবশ্য টুঁটে গেছে অনেক আগেই। সূত্র: হলিউড ডট কম
ঢাকা, ১৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





