মাত্র ১০ দল নিয়ে ২০১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন, ভারতের ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকার। ১০ দলের জায়গা আরো বেশি দলের অংশগ্রহণ চান তিনি।
টেন্ডুলকার বলেন, "আপনি যখন খেলাটিকে বিশ্বব্যপী ছড়িয়ে দিতে চান, আমাদের উচিত অংশ গ্রহণে আরো বেশি দলকে উৎসাহিত করা। অবশ্যই খেলার মান ফেলে দিয়ে নয়। তবে এ দলগুলোর খেলোয়াড়রা কিভাবে তাদের খেলার মান বাড়াতে পারে আমাদের সেদিকে নজর দিতে হবে এবং আমি মনে করি খেলার মান তখনই উন্নয়ন সম্ভব যখন তারা শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে খেলা শুরু করবে।’
তার পরামর্শ, ‘সে জন্য আমি মনে করি শীর্ষ দলগুলো তাদের 'এ' দল পাঠায়। ভারতীয় 'এ' দল জিম্বাবুয়ে, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড কিংবা স্কটল্যান্ড সফরে পাঠাতে পারে এবং 'এ' দলগুলোকে তাদের উৎসাহিত করা প্রয়োজন। যেমন ধরুন সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ অথবা নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল সেখানে যেতে পারে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে খেললে তাদেরকে উৎসাহিত করতে পারে।’
চলমান বিশ্বকাপের দূতের দায়িত্ব পালন করা টেন্ডুলকার বলেন, মাল্টি ন্যাশনাল টুর্নামেন্টগুলোতে ভাল প্রস্তুতির জন্য সহযোগী দেশগুলোকে শীর্ষ দলগুলোর বিরুদ্ধে আরো বেশি খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত।
টেন্ডুলকার বলেন, ‘আমি মনে করি তথাকথিত দুর্বল দলগুলোর বিরুদ্ধে শীর্ষ এবং শক্তিশালী দলগুলোর যতটা সম্ভব খেলা উচিত এবং সেটা কেবল বিশ্বকাপের সময়ই নয়। কেবলমাত্র চার বছর পর পর নয়, আমি মনে করি এ বিষয় দৃষ্টি দেয়া উচিত। তারা যাতে শীর্ষ দলের বিপক্ষে আরো বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় সেজন্য আইসিসির উৎসাহ যোগানো উচিত।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বিশ্বকাপের অনেক আসরেই এটা একটা ইতিহাস হয়ে আছে। এ দলগুলো সব সময়ই বিশ্বকে বিস্মিত করেছে। এ আসরেই আয়ারল্যান্ড হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।"
টেন্ডুলকার বলেন, ‘ক্রিকেট ইতিহাসে বাংলাদেশের সাকিবই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি একসঙ্গে তিন ফর্মেটেরই শীর্ষ অলরাউন্ডার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। অথচ আন্তর্জাতিক ম্যাচ আরো বেশি খেলতে পারলে তার প্রতিভার আরো বিকাশ ঘটত। তাই ক্রিকেটকে সত্যিকারভাবে বৈশ্বিক রূপ দিতে হলে তথাকথিত ছোট দলগুলোকে আরো বেশি সুযোগ দিতে হবে।’
জেডআই





