ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। এপ্রিলের শুরুতে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আইপিএলের অষ্টম আসর। কিন্তু গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে কেকেআর এবারের আসর বয়কট করতে পারে।
আইপিএলের অষ্টম আসরে সুনীল নারিনকে খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও নারিনকে খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তে বেঁকে বসেছে কলকাতা। শেষ পর্যন্ত যদি নারিনকে খেলতে না দেওয়া হয়, তাহলে কেকেআর বয়কট করতে পারে আইপিএল। এমনটাই শোনা যাচ্ছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সুনীল নারিনের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতার পরীক্ষা পুনরায় দিতে হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। আর এই পরীক্ষায় যদি নারিন পাস করেন তাহলেই কেবল কলকাতার হয়ে খেলতে পারবেন। নারিন ইতিমধ্যে একবার পরীক্ষা দিয়ে বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা পেয়েছে। তার আবার পরীক্ষা দেওয়াটা কেকেআরের কাছে উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের গত আসরের ফাইনালে নারিনের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর বোলিং অ্যাকশনে পরিবর্তন এনে লাফবরোর গবেষণাগারে বায়োমেকানিক পরীক্ষা দিয়ে সবুজ সংকেত পান তিনি। পাশাপাশি আইসিসিও তার অ্যাকশনের বৈধতা দিয়েছে। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী, বিসিসিআই আয়োজিত কোনো টুর্নামেন্টে তিনি খেলতে পারবেন না। খেলতে হলে আবারও পরীক্ষা দিতে হবে। সেই পরীক্ষা দিতে হবে চেন্নাইয়ে বসানো নতুন গবেষণাগারে।
এদিকে কলকাতা নাইট রাইডার্স পুনরায় এই পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষপাতি নয়। বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআই ও কলকাতা নাইট রাইডার্স নিজেদের অবস্থানে অটল থাকায় সমস্যার সমাধানও হচ্ছে না। কেকেআর বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াইয়ের কথা ভাবছে। শেষ পর্যন্ত তাতেও যদি কাজ না হয় তাহলে আইপিএল বয়কট করবে তারা।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের শিরোপা জয়ের পেছনে বল হাতে মূল ভূমিকা পালন করেন সুনীল নারিন। তাকে যদি কোনোভাবে না খেলতে দেওয়া যায় তাহলে শিরোপা জেতাটা কলকাতার জন্য কঠিন হয়ে যাবে। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতেই একটি চক্র উঠে পড়ে লেগেছে বলে মনে করছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
গেল আসরে বল হাতে নারিন নিয়েছিলেন ২২ উইকেট। এর আগে ২০১২ সালের আসরে নিয়েছিলেন ২৪ উইকেট।
জেআই





