ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে আজ রেকর্ড গড়েছে আবাহনী লিমিটেড। দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ার পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব মোহামেডানকে ২৬০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তামিম- সাকিবরা।

বুধবার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে সুপার লিগের ম্যাচে মোহামেডানের বিপক্ষে ৫০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৩৭১ রান করে আবাহনী। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অনেকটা চাপেই ভেঙ্গে পড়ে মুশফিকুর রহিমের মোহামেডান। ফলে ২৪.৩ ওভার শেষে মাত্র ১১১ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় তারা। ফলে ২৬০ রানের বড় লজ্জায় পড়ে মোহামেডান। লিস্ট এ ক্রিকেটে যা বড় হারের রেকর্ড।

৩৭২ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ছন্নছাড়া মোহামেডান। দলীয় মাত্র ৮রানেই সাজঘরে ফেরেন দলটির দুই ওপেনার। এ সময় সৈকত আলী ৫ ও আরেক ওপেনার এজাজ আহমেদ ৩ রানে আউট হন। ওয়ানডাউনে নামা নাঈম ইসলামের ব্যাট থেকে আসে দলীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান। তা ছাড়া মুশফিকুর রহিম ২৬, আরিফুল হক ১৭ ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের কোটা ছাড়াতে পারেননি।

ব্যাট হাতে ঝোড়ো ইনিংসে পর বল হাতে মোহামেডানের ইনিংসে ধস নামান সাকিব আল হাসান। ৬.২ ওভার বল করে ১৮ রানের খরচায় ৫টি উইকেট নেন তিনি। তাছাড়া আবাহনীর হয়ে সাকলাইন সজীব এ মোসাদ্দেক হোসেন ২টি করে উইকেট পান। আর একটি উইকেট পান তাসকিন আহমেদ।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে লিটন দাস-দিনেশ কার্তিকের জোড়া সেঞ্চুরি ও সাকিব আল হাসানের ঝোড়ো অর্ধশতকে মোহামেডানের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়ে আবাহনী।

শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৪ রানে দুই উইকেট হারানোর পর লিটন দাসের সঙ্গী হন ভারতের অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান দিনেশ কার্তিক।

দু’জনের ১৬২ রানের জুটি বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যায় দলটিকে। লিটনের ১২৫ বলে ১৩৯ রানের ইনিংসটি চোখে লেগে থাকার মতো। আরিফুল হকের বলে যখন বোল্ড হয়ে ফিরছেন, তখন তার নামের পাশে ১৮টি চার ও একটি ছক্কায় ১৩৯ রান।

লিটনের পর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কার্তিক। ৯৭ বলে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১০৯ রান করে আরিফুল হককে নিজের উইকেটটি দেন। এরপর সাকিব আল হাসান মাত্র ২২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। ২৪ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। দুটি চারের সঙ্গে পাঁচটি ছক্কা হাঁকান বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

মোহামেডান বোলারদের মধ্যে আরিফুল হক নেন দুটি উইকেট। তা ছাড়া থিসারা পেরেরা, এনামুল হক (জুনিয়র) ও নাঈম ইসলাম একটি করে উইকেট পান।

এফএফ