অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্সের দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরি। হামিল আমলার ১৮তম সেঞ্চুরি ও রুশোর প্রথম সেঞ্চুরি। দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ ২৪৭ রান। দলীয় সর্বোচ্চ দাঁড়ায় ৪৩৯ রান। কিন্তু মাত্র চার রানের আক্ষেপ থেকে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার। কারণ মাত্র চার রানের জন্য ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস গড়ার রেকর্ড গড়তে পারল না তারা।
ওয়ানডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার দখলে। ২০০৬ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪৪৩ রান সংগ্রহ করেছিল তারা।
এদিন জোহানেসবার্গের নিউ ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং বেছে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু বল হাতে হাশিম আমলা ও রিলি রুশোকে পরাস্ত করতে পারেনি তারা। আমলার ১৮তম সেঞ্চুরি ও রুশোর প্রথম সেঞ্চুরিতে উদ্বোধনী জুটিতে ২৪৭ রান করেন তারা।
১১৫ বলে ১১টি চার ও দুটি ছক্কায় ১২৮ রান করে রুশো মাঠ ছাড়লে ক্রিজে আসেন ডি ভিলিয়ার্স। মাঠে নেমেই চার দিয়ে রানের খাতা খোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চারের থেকে মনোযোগ ছক্কার প্রতি নেন ভিলিয়ার্স। ফলে মাত্র ১৬ বলে ৫টি ছক্কা ও তিনটি চারে হাফ-সেঞ্চুরি করেন তিনি। যা ওয়ানডে ক্রিকেট দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরি। এর আগে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন শ্রীলঙ্কার সনাৎ জয়সুরিয়া। ১৯৯৬ সালে ১৭ বলে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।
এরপর আরো দানবীয় হয়ে যান ডি ভিলিয়ার্স। পরের ৫০ রান পূর্ণ করেন মাত্র ১৫ বলে। ৮টি চার ও ৯টি ছক্কার সুবাদে মাত্র ৩১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। যা ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ৩৬ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের কোরি অ্যান্ডারসন।
অবশেষে ৪৪ বলে ৯টি চার ও ১৬টি ছক্কায় ১৪৯ রান করে মাঠ থেকে বিদায় নেন দক্ষিণ আফ্রিকার দলনেতা।
তবে ১৫৩ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন হাশিম আমলা। ১৪২ বলে এই স্কোর করতে ১৪টি বাউন্ডারি হাঁকালেও কোনো ছক্কা মারেননি এই ব্যাটসম্যান।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময় ৪৩৯ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মাত্র চার রানের জন্য ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড গড়তে পারল না তারা। এর আগে এক ইনিংসে প্রোটিয়াদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৪৩৮ রান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই স্কোর করেছিল তারা।
জেডআই





