দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
ওপেনিং ও টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় আবারও বড় ধরনের পরাজয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার ব্লুমফন্টেইনে টস জিতে আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ।
দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা হেসেখেলে রান করেন। স্কোরবোর্ডে ৫৭৩ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।
বিশাল সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৬৫ রানে দলের টপঅর্ডারের ছয় ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যায়।
পরে লিটন দাস একাই ক্রিজে লড়াই করে যান। কিন্তু ব্যক্তিগত ৭০ রান করা লিটন দাস দলীয় ১৪৩ রানের মাথায় আউট হওয়ার পর আর কেউ উইকেটে টিকে থাকতে পারেনি।
ইনিংসের ৪২.৫ ওভারে ১৪৭ রানে অলআউট হয় মুশফিকবাহিনী। যথারীতি ফলোঅনের লজ্জায় পড়ে টাইগাররা।
শনিবার দ্বিতীয় দিনেই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে টাইগাররা।
আগের দিনের বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের প্যাভিলিয়নে ফেরার পথ দেখান সৌম্য সরকার।
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ তিনি। মাত্র ৩ রান করে রাবাদার বলে আউট হন সৌম্য। এরপর দ্রুতই ফিরে যান মুমিনুল হকও। মাত্র ১১ রান করে রাবাদার বলে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল।
ভালোই খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। তবে অযথা লেগ স্ট্যাম্পের বাইরের একটি বল খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। ইমরুল ৩২ রান করে অলিভারের বলে আউট হন।
ইমরুলের পর মুশফিকুর রহিম ব্যক্তিগত ২৬ রান করে ওয়েন পারনেলের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন। তবে রিভিউ নিয়েও নিজেকে বাঁচাতে পারেননি মুশফিক।
এবি সিদ্দিক





