ইনজুরির কারণে নেই লিওনেল মেসি। তবুও বার্সাকে নিয়ে খুশি হওয়ার কিছু দেখেননি স্পোর্টিং গিজনের কোচ আবেলার্ডো। নিজেদের মাঠে বার্সার মুখোমুখি হওয়ার আগেই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন লুইস এনরিকের হাতে অনেক অস্ত্র আছে। মেসির অভাব যে কেউ পুষিয়ে দিতে পারবে।
সেটাই ঘটেছে শেষ পর্যন্ত। ন্যু ক্যাম্পে খেলতে গিয়ে স্বাগতিকদের গোল উৎসবের শিকার হয়েছে গিজন। নেইমার-সুয়ারেজরা মিলে গিজনকে ৫-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে।
ইনজুরির কারণে ছিলেন না মেসি। তাতেও কোনমতে আটকানো যায়নি কাতালানদের। তার অভাব বুঝতেই দেননি নেইমার-সুয়ারেজ-ইনিয়েস্তারা। নেইমার করলেন জোড়া গোল। সুয়ারেজ একটি। বাকি দুটি এলো রাফিনহা এবং আরদা তুরানের কাছ থেকে।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে প্রথম সুযোগটাই কাজে লাগালো বার্সেলোনা। মাঝ মাঠ থেকে তুরানের লম্বা উঁচু করে বাড়ানো বলে আলতো টোকায় এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন সুয়ারেজ। ফাঁকা জালে বল জড়াতে কোনো ভুল হয়নি গত মওসুমে ইউরোপের সর্বোচ্চ এই গোলদাতার।
এর তিন মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাফিনহা। ডান দিক থেকে রবের্তোর বাড়ানো বলে ঝাঁপ দিয়ে করা হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ব্রাজিলের এই মিডফিল্ডার।
বিরতির সময় দু’ গোলেই এগিয়ে ছিল বার্সা। বিরতির পরে নেইমার জোড়া গোল করেন। ৮১ মিনিটে প্রথমটি খুব কাছ থেকে শট করে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
৮৮তম মিনিটে ডেনিস সুয়ারেজের থ্রো বল থেকে বাম পায়ের শটে গিজনের জালে বল জড়ান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।
নেইমারের দ্বিতীয় গোলের আগেই, ৮৫তম মিনিটে সার্জি রবার্তোর ডান দিক থেকে বাড়ানো বলে কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তুরস্কের অধিনায়ক আরদা তুরান।
এই জয়ের ফলে ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত শীর্ষে উঠে এলো বার্সেলোনা। সমান পয়েন্ট রিয়াল মাদ্রিদের হলেও তারা খেলেছে একটি ম্যাচ কম।
এমএনজে





