প্রথমার্ধে গোলশূন্য শেষ করেছে ইতালি-উরুগুয়ে। সমানতালের ম্যাচে উভয় দলই দারুণ কিছু সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু কোনো দলই কাজে লাগাতে পারেনি। এই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ড্র হলে নকআউট পর্বে চলে যাবে ইতালি। তাই দ্বিতীয়পর্বে যেতে হলে উরুগুয়ের জয়ের বিকল্প নেই।

গ্রুপের শেষ ম্যাচের ফলাফলের ভিত্তিতে নক আউটে ওঠার পরিস্থিতিটা বিশ্বকাপে ইতালির কাছে নতুন কিছু নয়। ১৯৯৮ সালের পর ইতালি বিশ্বকাপে কখনও গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি। সব সময়ই শেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়েছে তাদের। সেখানে ভাল করেই নক আউটের টিকিট জোগাড় করতে হয়েছে তাদের। প্রথমার্ধে আক্রমণে ইতালির তুলনায় এগিয়েছিল উরুগুয়েই।

ইনজুরি থেকে ফিরেই ফুটবল আঙিনায় যে ঝর তুলেছেন সুয়ারেজ; তাতে মঙ্গলবার এগিয়ে যাওয়ার কথা তাদেরই। তাদের ইতালির চেয়ে সমীকরণ কঠিন। কারণ তাদের ড্র করলে চলবে না, পরের রাউন্ডে যেতে হলে তাদের জয় ভিন্ন পথ খোলা নেই।

সব মিলিয়ে মাঠে শুরু হয়েছে দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কঠিন এক লড়াই। কথার লড়াই শেষ, এবার চলছে মাঠের লড়াই। সেখানেই প্রমাণ করতে হবে কারা সেরা; কারা পারবে আরো বহুদূর যাওয়ার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে।

ইতালি কোচ প্রানদেলির কোস্টারিকার কাছে ০-১ হারা ম্যাচে মনে হয়েছে, কিছুটা ক্লান্ত। তবে ইংলিশদের বিপক্ষে জেগে ওঠা ইতালি এখন উরুগুয়ে-যুদ্ধের মুখোমুখি। প্রথমার্ধে ইতালির শক্তিশালী ডিফেন্স সুয়ারেজ-কাভানি জুটির ছুরির মতো ধারালো কিছু অ্যাটাক প্রতিহত করতে হয়েছে। উরুগুয়ের আক্রমণ রোধে প্রানদেলি তাঁর প্রিয় ৩ ব্যাক সিস্টেমে ভরসা রাখছেন চিয়েলিনি-বোনুচি-বারজালির ওপর।

বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানে এগিয়ে ইতালিই। ২ ম্যাচের মধ্যে এক ম্যাচে জয়; অন্যটি ড্র। এমন কি কনফেডারেশনস কাপের তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে নির্ধারিত সময় ছিল ২-২ স্কোরলাইন। ইতালির বিপক্ষের দু’টো গোলই ছিল কাভানির। সেই কারণেই এ ম্যাচে কাভানির ওপর তৃতীয় নয়ন কাজ করছে। কাভানিকে গোল সীমানায় সেই অর্থে ঠুকতে দেওয়া হয়নি।

ঢাকা, ২৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই