বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
বৃহস্পতিবার ওয়েলিংটনের ওয়েস্ট প্যাক স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার ৩১৪ রানের জবাবে ৪৭.৩ ওভারে ১৯৫ রান সংগ্রহ করতেই আমিরাতের ইনিংস গুটিয়ে যায়। ফলে ১৪৬ রানে জয় পায় প্রোটিয়ারা।
বড় জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ে তছনছ হয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যাটিং লাইন আপ। ব্যতিক্রম শামীম আনোয়ার ও স্বনীল পাটিল ছাড়া কেউই বেশিক্ষণ ব্যাট হাতে মাঠে টিকতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর ৫৭ রান করেন স্বপ্নীল পাটিল। এছাড়া শাইমান আনোয়ারের ৩৯ রান ও ওপেনার আমজাদ আলীর ২১ রান উল্লেখযোগ্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্যান্ডার, মর্কেল ও ডি ভিলিয়ার্স দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে ৩৪১ রান সংগ্রহ করে।
এদিন ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু মাত্র এক রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে কামরান শাহজাদের বলে আমজাদ জাভেদের হাতে ক্যাচ আউট হন। ৮২ বলে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৯৯ রান করেন তিনি।
তবে এই ম্যাচে ৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কা মারার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। সবমিলে চলতি বিশ্বকাপে ২০ ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। তারপরই রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ১৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি।
এদিকে সেই এক রানের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন মিলার। ব্যক্তিগত ৪৯ রানে মোহাম্মদ নাভিদের বলে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া রুশো ৪২, ডি কক ২৬, ডুমিনি ২৩ ও ফারহান বেহারডিয়েন অপরাজিত ৬৪ রান করেছেন।
তিন উইকেট শিকারী মোহাম্মদ নাভিদ আরব আমিরাতের সেরা বোলার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা : ৩৪১/৬, ওভার ৫০ (ভিলিয়ার্স ৯৯, বেহারডিয়েন ৬৪*, মিলার ৪৯, রোসোউ ৪২, কোক ২৬; নাভিদ ৩/৬৩)
আমিরাত : ১৯৫/১০, ওভার ৪৭.৩ (স্বপ্নীল ৫৭*, শাইমান ৩৯, আলী ২১; ভিলিয়ার্স ২/১৫)
ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪৬ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা : এবি ডি ভিলিয়ার্স
জেডআই





