২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৬ টি দল অংশগ্রহণ করেছে। দুই স্তর বিশিষ্ট এই টুর্নামেন্টে প্রথম পর্বে দুটি টেস্ট খেলুড়ে দলের সঙ্গে লড়বে সহযোগী আরো ছয়টি দল। স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ম্যাচ দিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে ২০ ওভারের বিশ্বকাপের পঞ্চম আসর। প্রথম পর্ব শেষ হলে মাঠে নামবে সুপার-১০'এ লড়বে বড় আটটি দল। এই টুর্নামেন্টে স্পট লাইটে আছেন ৬ জন বোলার।
ল্যাসিথ মালিঙ্গা, শ্রীলংকা : প্রায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন মালিঙ্গা। কিন্তু বোলাররা এখনো তার বল ঠিকমত বুঝে উঠতে পারেনি। মালিঙ্গার ফাস্ট, আনঅর্থডক্স অ্যাকশন, ইয়র্কার, স্লো বাউন্সার এবং নিখুঁত বোলিং তাকে আধুনিক ক্রিকেটে ভয়ংকর বোলারদের একজনে পরিণত করেছে। ৩০ বছর বয়সী এ বোলার এখন কেবল সংক্ষিপ্ত ভার্সনেই খেলছেন এবং তার ভিন্ন ধর্মী বোলিংয়ের কারণে ব্যাটসম্যানদের রান করাটা বেশ কঠিন।
মিচেল জনসন, অস্ট্রেলিয়া : জনসন বর্তমানে পায়ের পাতায় ইনফেকশন হওয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। এমন কি তিনি এ টুর্নামেন্ট মিসও করতে পারেন। তবে সুস্থ হয়ে খেলতে পারলে তিনিই অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন। বাংলাদেশের স্লো এবং লো উইকেটেও তাকে মোকাবেলা করাটা ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ কঠিন হবে। কারণ সবচেয়ে মরা উইকেটেও গতি নিয়ে বোলিং করার সক্ষমতা রয়েছে তার। নতুন বলে তার নিখুঁত ডেলিভারি এবং ডেথ ওভারে অসাধারণ ইয়র্কার তাকে সংক্ষিপ্ত ভার্সনে একজন ম্যচ উইনারে পরিণত করেছে।
উমর গুল, পাকিস্তান : টি-২০ ক্রিকেটে অভিজ্ঞ ২৯ বছর বয়সী এ বোলার বার বার তার কার্যকারিতা প্রমাণ করেছেন। ২০০৭ সালে উদ্বোধনী আসরে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেন গুল। সেবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে হেরে রানার আপ হয় পাকিস্তান। এরপর ২০০৯ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান এবং এ আসরেও সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি গুল। ইনজুরি কাটিয়ে দীর্ঘ দিন পর মাঠে ফেরা গুল অবশ্য তার সেরা ফর্মে নেই। তবে এখনো তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ মুহূর্তে বাউন্স ও ইয়র্কার দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সক্ষম।
সাইদ আজমল, পাকিস্তান : টি-২০ শিরোপা জয়ী পাকিস্তান দলের আরেক গুরুত্বপুর্ণ বোলার আজমল তার চাতুর্য্য দ্বারা যে কোন বোলারকে বোকা বানাবেন। ২০০৯ সালের টুর্নামেন্টের যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। বিখ্যাত ‘দুসরার’ জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এ অফ স্পিনার সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ক্রিকেটেও সব চেয়ে সফল বোলার। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের রানের লাগাম টেনে ধরতে এবং চাপে ফেলে উইকেট শিকারে পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবাহ বেশি নির্ভর করবেন আজমলের ওপর। শহিদ আফ্রিদিসহ আজমল মিডল ওভারে বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলতে পারেন।
সুনিল নারাইন-ওয়েস্ট ইন্ডিজ : এই মুহুর্তে ক্যারিবীয় দলটির সেরা স্পিনার। উভয় দিকেই বল টার্ন করাতে সক্ষম এ বোলার। ব্যাটিং সহায়ক এ ফর্মেটে প্রতি ওভারে মাত্র ৫ দশমিক ৮৫ রান খরচ করা নারাইনের বিপক্ষে যে কোন ব্যাটসম্যানকেই ধুকতে হয়। শিরোপা অক্ষুন্ন রাখতে নারাইনই ওয়েস্ট ইন্ডিজের তুরুপের তাস হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ: স্পিন নৈপুন্যে ইতোমধ্যে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। যখন ব্যাটসম্যানরা ক্রিজে শক্ত অবস্থান নেন, তখন তাদেরকে সাজঘরে পাঠাতে সাকিবের সুনাম বেশ। চার-ছক্কার সংক্ষিপ্ত ভার্সনের এই ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের রানের গতি টেনে ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে উইকেটও তুলে নেন তিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে ৩.১ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। এরমধ্যে দুটি উইকেট ছিল বেশ গুরুত্বপুর্ণ।
খেলা
টি-২০ বিশ্বকাপের নজর কাড়া ৬ বোলার
২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৬ টি দল অংশগ্রহণ করেছে। দুই স্তর বিশিষ্ট এই টুর্নামেন্টে প্রথম পর্বে দুটি টেস্ট খেলুড়ে দলের সঙ্গে লড়বে সহযোগী আরো ছয়টি দল। স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে





