সূচনাটা দারুণ পেয়েছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তবে তাতে সুর বাঁধতে পারলেন না বাকি ব্যাটসম্যানরা। অযাচিত শট খেলে সবাই এলেন আর গেলেন। পাল্লা দিয়ে একে একে যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দিলেন টপঅর্ডার, মিডলঅর্ডার ও লেজের ব্যাটসম্যানরা। সংগ্রহটাও হলো সেরকম, ১২৭ রানে গুটিয়ে গেল কুমিল্লা। ফলে জয়ের জন্য ঢাকার লক্ষ্য দাঁড়ালো ১২৮।
এ ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফে চলে যাবে ডায়নামাইটসরা। ১২ ম্যাচে ৬টি করে জয়-পরাজয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে রাজশাহী কিংস। কুমিল্লার বিপক্ষে জিতলে ঢাকার পয়েন্ট হবে ১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট। এছাড়া কিংসদের চেয়ে রানরেটে এগিয়ে থাকায় সুপার ফোরে উঠে যাবে সাকিবরা।
ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নামে কুমিল্লা। সূচনাটা হয় দুরন্ত। উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তামিম ইকবাল ও এভিন লুইস। ৩৮ রানে লুইসকে সরাসরি বোল্ড করে ঢাকাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন সুনিল নারাইন। এরপরই পথ হারায় ভিক্টোরিয়ানসরা।
প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ফেরেন আনামুল হক। রুবেল হোসেনের শিকার হওয়ার আগে রানের খাতায় খুলতে পারেননি তিনি। খানিক পরই শুভাগত হোমের বলে রুবেল হোসেনের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন দারুণ খেলতে থাকা তামিম ইকবাল। সাজঘরে ফেরত আসার আগে ড্যাশিং ওপেনার খেলেন ২০ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ রানের নান্দনিক ইনিংস।
তামিমের বিদায়ে চাপে পড়ে কুমিল্লা। এর মধ্যে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি ইনফর্ম শামসুর রহমান। সাকিব আল হাসানের এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। পরে অধিনায়কোচিত কিছু করে দেখাতে পারেননি ইমরুল কায়েসও। দুই অধিনায়কের লড়াইয়ে হার মানেন তিনি। ঢাকা অধিনায়কের বলে আন্দ্রে রাসেলকে লোপ্পা ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কুমিল্লা অধিনায়ক।
ফলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় দলটি। এতে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের আভাস দেন শহীদ আফ্রিদি। তবে খুব বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। ১৭ বলে ১ চারে ব্যক্তিগত ১৮ রান করে নারাইনের শিকার হন তিনি। তারপর সেই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি কুমিল্লা। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রানে গুঁড়িয়ে যায় তারা।
আফ্রিদির পর রানআউটে কাটা পড়ে যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন। সেই রেশ না কাটতেই রুবেল হোসেনের বলে উইকেটের পেছনে নুরুল হাসানের গ্লাভসবন্দি হয়ে ফেরেন থিসারা পেরেরা। অল্পক্ষণ পর তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করে রুবেলের বলে উপুল থারাঙ্গাকে ক্যাচ দিয়ে আসেন ওয়াহাব রিয়াজ।





