ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্যরা দেশে ফিরেছেন। তবে দলের অনুশীলনে তারা কবে যোগ দিতে পারবেন এ নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।

ফিজিও জুয়ালিয়ান ক্যালেফাতো ও ট্রেনার নিকোলাস ট্রেভর লি আগেই এসেছিলেন বাংলাদেশে। ৭ জানুয়ারি ঢাকায় পা রাখেন নতুন ব্যাটিং কোচ জন লুইস।

শুক্রবার (০৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন ও ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক। বাকি ছিলেন প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। সন্ধ্যা নাগাদ, বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে তিনিও এসে পৌঁছান ঢাকায়।

বিদেশ ফেরত হিসেবে স্বভাবতই কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে ডমিঙ্গোদের। লুইস এসেছেন যুক্তরাজ্য থেকে, যেখানে ভোগান্তি বাড়িয়েছে করোনার নতুন প্রজাতি। বিধি অনুযায়ী তাকে থাকতে হবে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে। বিসিবি তার শর্ত শিথিলের জন্য আবেদন করেছে সরকারের কাছে।

তবে শঙ্কা আছে ডমিঙ্গো, গিবসন, কুকদের নিয়েও। আজ দেশে ফেরা এই তিন কোচকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের গ্যাঁড়াকলে পড়তে হচ্ছে না। কিন্তু কমপক্ষে দুইবার করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্তি পাবেন তারা। জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি। একইদিন থেকে শুরু হবে বায়োবাবলও। ডমিঙ্গোদের দুই দফা করোনা নেগেটিভ ফলাফল আসতে আসতে হয়ত একাকীই অনুশীলন শুরু করতে হবে খেলোয়াড়দের।

এই সিরিজে অবশ্য আসা হচ্ছে না স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরির। তার পরিবর্তে ক্যারিবীয় সিরিজে তাইজুল ইসলামদের দীক্ষা দেবেন স্থানীয় কোচ সোহেল ইসলাম।বিডিক্রিকটাইম

এমবি