এশিয়া কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় মাঠ ছাড়ল পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বের শহিদ আফ্রিদির দল আনপ্রেডিক্ট্যাবলখ্যাত পাকিস্তান।

শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৫০ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৪ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

যদিও লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই মোহাম্মদ হাফিজকে হারিয়ে হোঁচট খায় পাকিস্তান। তবে সরফরাজ আহমেদ (২৭ বলে ৩৮) ও শারজিল খানের (২৪ বলে ৩১) দুটি দৃঢ়তায়ম্যাচে টিকে থাকে পাকিস্তান।

ত্রয়োদশ ওভারে ৯৪ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সরফরাজের বিদায়ের পর উমর আকমলের সঙ্গে জুটি বাধেন শোয়েব মালিক। তাদের ৫৬ রানের জুটি দলকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যায়।

লংঅফে থিসারা পেরেরার দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরে যান আকমল (৪৮)। তার বিদায়ের পর জয় পেতে দুই বলের বেশি লাগেনি পাকিস্তানের।

এর আগে দিনেশ চান্দিমালের সঙ্গে দিলশানের ১১০ রানের জুটিতে শুরুটা দারুণ হয় শ্রীলঙ্কার। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে দলটির সেরা উদ্বোধনী জুটি। ২০১৩ সালে দুবাইয়ে দিলশান-কুশল পেরেরার ১০০ রান ছিল আগের সেরা।

শক্ত ভিতের সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। চান্দিমালকে (৪৯ বলে ৫৮) ফিরিয়ে ওয়াহাব রিয়াজ ১৪.১ ওভার স্থায়ী জুটি ভাঙার পর শেষ পর্যন্ত কোনোমতে দেড়শ’স্পর্শ করে দলটি।

দ্রুত ফিরে যান শিহান জয়াসুরিয়া, চামারা কাপুগেদারা ও দাসুন শানাকা। শেষ ৬ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ৪০ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা।

পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইরফান ১৮ রানে নেন দুই উইকেট।

নিয়মিত অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গার চোটে আগের দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। এই অলরাউন্ডারের চোটে নিজেদের শেষ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেন চান্দিমাল।

তবে সান্ত্বনার জয় হলেও আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটু হলেও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে পাকিস্তান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

 শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৫০/৪ (চান্দিমাল ৫৮, দিলশান ৭৫*, জয়াসুরিয়া ৪, কাপুগেদারা ২, শানাকা ০, সিরিবর্ধনা ৪*; ইরফান ২/১৮, মালিক ১/৩, ওয়াহাব ১/৩০)

 পাকিস্তান: ১৯.২ ওভারে ১৫১/৪ (শারজিল ৩১, হাফিজ ১৪, সরফরাজ ৩৮, আকমল ৪৮, মালিক ১৩*, ইফতেখার ০*; দিলশান ১/২, জয়াসুরিয়া ১/১৩, কুলাসেকারা ১/২০, সিরিবর্ধনা ১/২০)।

 

এমআইএস।