টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের দুই ওপেনার মাঠ থেকে বিদায় নিয়েছেন।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন সাকিব (২) ও মুশফিক (০)।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দৃঢ়ভাবেই এগিয়ে চলছিল বাংলাদেশ। তবে ষষ্ঠ ওভারে পারনেলের পঞ্চম শেষ বলে উইসির হাতে ক্যাচ আউট হন তামিম। এতে ৪৬ রানেই ভেঙে যায় স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি। ১৮ বলে মাত্র একটি চারে ১৩ রান করেন তামিম।

পরের ওভারে ইডি লেইর পঞ্চম বলটি সামনে এগিয়ে মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষক ডি ককের হাতে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন সৌম্য। মাঠ ছাড়ার আগে ২১ বলে ৬টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৭ রান করেন তিনি।

মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র চার উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে বাংলাদেশের বোলারদের উপর খড়গহস্ত ছিল প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। উদ্বোধনী জুটির ডি কক ও ডি ভিলিয়ার্স একের পর এক বল বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে রানের পাহাড় গড়ার দিকে এগিয়ে যান। মাত্র ৬ ওভারে দলীয় রান হাফ-সেঞ্চুরি পার করে। সমান তালে ব্যাট করে ১০ ওভারে সেঞ্চুরির কাছাকাছি নিয়ে যান তারা।

কিন্তু এই জুটিকে সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে দিলেন না আরাফাত সানি। ১১তম ওভারের তার তৃতীয় বলে ডি কক ক্যাচ তুলে দিলে সেটা লুফে নিতে ভুল করেননি সাব্বির রহমান। এতে ভেঙে যায় প্রোটিয়াদের ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটি। মাঠ ছাড়ার আগে ৩১ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৪ রান করেন ডি কক।

১২তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন নাসির হোসাইন। দ্বিতীয় বলে ডুমিনি (৬) ক্যাচ আউট হন সাকিবের হাতে। পরের বলে মুশফিকের তালুবন্দী হন ডি ভিলিয়ার্স। ৩৪ বলে ছয়টি চারে ৪০ রান করেন উদ্বোধনী জুটির এই ব্যাটসম্যান।

১৮তম ওভারে মুস্তাফিজের চতুর্থ বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ আউট হন ডু প্লেসিস। মাঠ চাড়ার আগে ১৭ বলে ১৬ রান করেছেন তিনি।

মাঝখানে উইকেট হারিয়ে রানের গতি কমে গেলেও শেষ দুই ওভারে বোলারদেরকে বেধড়ক পিটিয়েছেন মিলার ও রিলি রুশো। ১৯তম ও ২০তম ওভারে যথাক্রমে ১৯ রান ও ১৩ রান নিয়েছেন তারা। মিলার ২৮ বলে ৩০ রান ও রুশো ৬ বলে ১৯ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

জেডআই