ভারত সিরিজের পর বিরতি সামান্যই। ৩০ জুন বাংলাদেশে পা রাখছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগামীকাল থেকেই আবার নেমে পড়তে হবে নতুন মিশনে। মাত্র দুদিনের জন্য পাওয়া এ অবসরটুকু মাশরাফি বিন মুর্তজা কাটাচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে।
ছুটির এ দিনেই খবরটা জানানো হলো মাশরাফিকে। বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ। এরপর ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়, সঙ্গে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন—তৃপ্তির ঢেকুর তুলতেই পারে বাংলাদেশ। কিন্তু হঠাৎ শঙ্কার কালো ছায়া মাথার ওপর ঘুরতে শুরু করেছে, যখন জানা গেল, আগামী আগস্টে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে জিম্বাবুয়ে!
অবশ্য এখনো ওই সিরিজের সূচি চূড়ান্ত হয়নি। তবে এখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যোগ হওয়ায় বেশ গোলমেলেই করে তুলেছে ব্যাপারটি। সূচি অনুযায়ী, আগামী মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। এরপর আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। তবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কোয়ালিফাইয়ের ‘ডেডলাইন’ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো ম্যাচ ছিল না। হিসাবটা জটিলই করে দিতে পারে আলোচিত এই সম্ভাব্য ত্রিদেশীয় সিরিজ।
যে সিরিজের ম্যাচের ফল পাল্টে দিতে পারে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলার সম্ভাবনার ছক। সব শুনে-টুনে তেমন মন্তব্য করতে চাইলেন না মাশরাফি। কেবল বললেন, ‘আল্লাহ যা রাখছেন কপালে তা-ই হবে, এ নিয়ে শুধু শুধু টেনশন করে লাভ নেই। অকারণে এ নিয়ে হইচই করেও লাভ নেই। দেখা যাক কী হয়।’
যদি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন করেই থাকে জিম্বাবুয়ে, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কটা ওয়ানডে জিততে হবে বাংলাদেশকে, জানতে চাইলেন মাশরাফি। হিসাব বলছে, একটি ওয়ানডে জিতলেই চলবে। সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্স, ঘরের মাঠে একের পর এক জয়ের আত্মবিশ্বাস—বাংলাদেশ পারবে না প্রোটিয়াদের বিপক্ষে অন্তত একটা ম্যাচ জিততে? পারবে না সমীকরণের এ জটিলতা দূর করতে?
প্রশ্নগুলোর উত্তর মাশরাফি কেন, সবারই অজানা। ভবিষ্যৎ নিয়ে আগাম কিছু যে বলা যায় না। বাংলাদেশ অধিনায়ক বিষয়টি ছেড়ে দিলেন নিয়তির হাতেই, ‘কপালে যদি থাকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলব; না থাকলে হবে না। এর বেশি কিছু বলতে চাই না।’
সব ইতিহাসই তৈরি হয় বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে। মাশরাফিরাও দেবেন, তাতে ভয় কী? সূত্র: প্রথম আলো
জেডআই





