তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো শ্রীলঙ্কা। তামিম ইকবালের দলকে দ্বিতীয় ম্যাচেও হেসে-খেলে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

এর আগে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল ৯১ রানে। টানা দুই ম্যাচে হারের কারণে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গেল বাংলাদেশের।

এর ফলে ৪৪ মাস পর ঘরের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল লঙ্কানরা। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ঘরের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল লঙ্কানরা।

সিরিজের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ জুলাই (বুধবার)।

রোববার (২৮ জুলাই) কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে বাংলাদেশের দেয়া ২৩৯ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ওভারে উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় লঙ্কানরা। স্বাগতিদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন অভিশকা ফার্নান্দো। 

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে শ্রীলঙ্কার প্রথম উইকেটটি শিকার করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১২তম ওভারে অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নেকে বোল্ড করেন তিনি। ২৯ বলে ১৫ রান করেন লঙ্কান অধিনায়ক। বাংলাদেশ যখন শ্রীলঙ্কার ওপেনিং জুটি ভাঙে তখন স্বাগতিদের সংগ্রহ ছিল ৭১ রান।

করুণারত্নে ফেরার পর ৫৮ রানের জুটি গড়েন অভিশকা ফার্নান্দো ও কুশল পেরেরা। ২১তম ওভারে সেট ব্যাটসম্যান অভিশকা ফার্নান্দোকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মোস্তাফিজ। তামিমের হাতে ধরা পড়েন এই লঙ্কান ওপেনার। ফেরার আগে ৭৫ বলে ৯টি চার ও দুইটি ছক্কার সাহায্যে ৮২ রান করেন তিনি।

অভিশকাকে ফেরানোর পর কুশল পেরেরাকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ২৫তম ওভারে শর্ট কাভারে সৌম্যর হাতে ধরা পড়েন তিনি। ৩৪ বলে ৩০ রান করেন কুশল পেরেরা।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৩৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৮ রান করেন মুশফিকুর রহিম। ওয়ানডেতে এটি তার ৩৭তম হাফ সেঞ্চুরি।

এর আগের ম্যাচেও তিনি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে নুয়ান প্রদীপ ২টি, ইসুরু উদানা ২টি ও আকিলা ধনঞ্জয়া ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ একাদশ: ৫০ ওভারে ২৩৮/৮ (তামিম ১৯, সৌম্য ১১, মিঠুন ১২, মুশফিক ৯৮*, মাহমুদউল্লাহ ৬, সাব্বির ১১, মোসাদ্দেক ১৩, মিরাজ ৪৩, তাইজুল ৩, মুস্তাফিজ ২*; ধনাঞ্জয়া ১০-০-৩৯-০, প্রদিপ ১০-০-৫৩-২, উদানা ১০-০-৫৮-২, কুমারা ১০-০-৪২-০, দনাঞ্জয়া ১০-০-৩৯-২)।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: ৪৪.৪ ওভারে ২৪২/৩ (ফার্নান্দো ৮২, করুনারত্নে ১৫, কুসল পেরেরা ৩০, কুসল মেন্ডিস ৪১*, ম্যাথিউস ৫২*; মিরাজ ১০-০-৫১-১, শফিউল ৫-০-২৯-০, তাইজুল ১০-২-৩৫-০, মুস্তাফিজ ৮-০-৫০-২, মোসাদ্দেক ৭-০-৩২-০, সাব্বির ২.৪-০-২০-০ , সৌম্য ২-০-১৬-০)।

এমবি