শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ১১তম ‍যুব বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছে বাংলাদেশ। এটি যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। এর আগে ২০০৬ যুব বিশ্বকাপে পঞ্চম হয়েছিল বাংলাদেশি যুবারা।

২১৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে ইনিংসের শেষ ওভারের তৃতীয় বলে বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ৩ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখে শ্রীলঙ্কার রান টপকে যায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

শিরোপায় চোখ রেখে জয় দিয়ে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাটিতে নামিয়ে আনে মেহেদী হাসান মিরাজরা।

এরপর গ্রুপ পর্বের আরো দুই জয়ে (স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়ার বিপক্ষে) গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় ছোট টাইগাররা।

শেষ আটে জায়গা পেয়ে বাংলাদেশ আরো দুর্ধর্ষ। গ্রুপ পর্বে চমকে দেওয়া নেপালকে বাংলাদেশ হারিয়ে দেয় ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ শেষ চারে উঠে সেদিন ইতিহাস রচনা করেছিল। কিন্তু ‘বড়’ ম্যাচ না খেলার অভিজ্ঞতায় ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন সেদিন ভেস্তে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হার বাংলাদেশের শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে দেয়।

এসএইচ