সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং যা হলো, তা আর যাই হোক টি-টোয়েন্টির নয়। ৬৬ বলই ডট! ২০ ওভারের ম্যাচে ১১ ওভারই তো রান না নিয়ে কাটিয়েছেন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। তার পরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানটা যে ১২৪ হলো, তাতে মূল অবদান চাদউইক ওয়ালটন ও কার্লোস ব্রাফেটের। ওয়ালটনের ৩১ বলে ৪০ আর ব্রাফেটের ২৪ বলে ৩৭ রানের দুটি ইনিংস ছাড়া বলার মতো কোনো স্কোরই নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে।
পাকিস্তানি মিডিয়াম পেসার হাসান আলীর বল খেলতেই পারেনি ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। আলী ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। এর মধ্যে আছে দুটি মেডেন। এই মেডেনও আবার পরপর দুই ওভারে।
পাকিস্তান অবশ্য ১২৪ রান পেরিয়েছে সতর্কতার সঙ্গেই। আহমেদ শেহজাদ, কামরান আকমল ও বাবর আজমের ব্যাটে ৭ উইকেটে জয় পাকিস্তানের। শেহজাদ ৪৫ বলে ৫৩, আকমল ২১ বলে ২০ আর বাবর ৩৬ বলে ৩৮ করে পাকিস্তানকে নিয়ে যান জয়ের দোরগোড়ায়। ১১৫ রানে ৩ উইকেট পড়া দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন শোয়েব মালিক (৯) আর অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (৩)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে কেসরিক উইলিয়ামস ২টি আর মারলন স্যামুয়েলস একটি উইকেট নেন।
শেষের দশ ওভারেই মূল সর্বনাশটা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। আলীর ৪ ওভারের ৩টিই শেষ ১০ ওভারে করা। পাকিস্তানের এই মিডিয়াম পেস বোলার পুরোনো বল দিয়েই সমস্যায় ফেলেন ক্যারিবীয়দের। তাঁর ইনসুইঙ্গারগুলো যেন খেই হারিয়ে দিচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানদের। ২ উইকেটে ৫৯ থেকে এই সময়ই তাদের স্কোর হয়ে গিয়েছিল ৮৭ রানে ৬ উইকেট।
আগের ম্যাচের ব্যর্থতা থেকে বেরিয়ে এসে লেগ স্পিন সেনসেশন শাদাব খান সিরিজ-নির্ধারণী ম্যাচে ভালো বল করেছেন। ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন ইমাদ ওয়াসিম, রুম্মান রইস ও ওয়াহাব রিয়াজ। ইমাদ ও রুম্মান মোটামুটি করলেও ওয়াহাব তাঁর ৪ ওভারে দিয়েছেন ৪৪ রান। সূত্র: ক্রিকইনফো।





