ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের জন্য ৩১০ রানের টার্গেট পেয়ে বেট করছে বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ভালো খেলতে থাকা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ২৫ রানে ফিরে গেলেন। ২৬ বলে দুই চারে ব্যক্তিগত ২৫ রানে আদিল রশিদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করেছে বাংলাদেশ। 

দলে সুযোগ পেয়েই ক্যারিয়ারের ১৩তম হাফসেঞ্চুরি করলেন ইমরুল কায়েস। এরই সঙ্গে দলীয় ১০০ রান পূরণ হয় বাংলাদেশের। 

এর আগে ওপেনার তামিম ইকবালের পর বিদায় নিলেন সাব্বির রহমান। ১১ বলে তিনটি চারে ১৮ করা সাব্বির জ্যাক বলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। ৬ হাকাতে গিয়ে একেবারে বাউন্ডারি লাইনে ডেভিড উইলি তার ক্যাচটি লুফে নেন। 

৯.৫ ওভারে অভিষিক্ত জ্যাক বলের বলে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিওনে ফেরেন ড্যাশিং এ ওপেনার ইকবাল। এ সময় টাইগারদের রান ছিল ৪৬।

এর আগে বেন স্টোকসের শতক এবং বাটলারের ঝড়ো ফিফটিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৯ রান করেছে ইংলিশরা।

এ ম্যাচটি জিতলেই ইংলিশদের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ ওয়ানডে জয়ের কীর্তি গড়বে টাইগাররা।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার।

ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ৪১ রান সংগ্রহ করে। ইংলিশ শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন টাইগার বোলার শফিউল। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ভিঞ্চকে ব্যক্তিগত ১৬ রানে সাজঘরে ফেরান তিনি।

এরপর ইংলিশদের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান জেসন রয়কে ফিরিয়ে দিয়ে নিজের প্রথম উইকেট শিকার করেন বিশ্বখ্যাত অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দলীয় ৬১ রানের মাথায় সাব্বিরের হাতে ধরা পড়েন ইংল্যান্ডের এ মারকুটে ব্যাটসম্যান। রয় ৪১ রান করেন।

এরপরের ওভারেই সাব্বিরের সরাসরি থ্রুতে ব্যক্তিগত ৫ রান করে রান আউটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন জনি বেইস্টরো। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে ডাকেট ও স্টোকস। ডাকেটকে ৬০ রানে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন শফিউল।

ডাকেট ফিরে গেলেও দুইবার জীবন পাওয়া স্টোকস জীবনের প্রথম শতক হাঁকান। তবে শতরান করেই মাশরাফির বলে সাব্বিরের হাতে ধরা পড়েন তিনি। স্টোকসের ১০১ রানের ইনিংসটি ৪টি ছয় ও ৮টি চারে সাজানো ছিল।

এরপর মঈন আলীও উইকেটে টিকতে পারেননি। মাশরাফির বলে মাত্র ৬ রানে তামিমের তালুবন্দী হন তিনি।

তবে মাঠে নেমেই ঝড় তোলেন বাটলার। মাত্র ৩৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ৩৮ বলে ৬৩ রান করে সাকিবের বলে আউট হন বাটলার। ৪টি ছয় ও ৩টি চারে সাজানো ছিল তার ইনিংস।

শেষ পর্যন্ত ৩০৯ রানে শেষ হয় ইংলিশদের ইনিংস। সফরকারীদের এই রান সংগ্রহে অবশ্য টাইগার ফিল্ডারদেরও বেশ অবদান রয়েছে! খুবই বাজে ফিল্ডিং দেখল টাইগার ভক্তরা।

বেন স্টোকস ও বাকেটের ৪টি ক্যাচ ফেলে দেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মোশাররফ হোসেন রুবেল। তাছাড়া বাটলারেরও ক্যাচ ধরতে পারেনি তাসকিন আহমেদ।

এমবি