টানা তিন ম্যাচ হার। বিদায় নিতে হতে পারে বার্সাকে। এমনি ভেবেছিলেন খেলা প্রেমিকরা। কিন্তু না টানা দুই ম্যাচ গোল উৎসবে জিতিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। প্রথমে রায়ো ভায়েকানোকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে শীর্ষে উঠে গিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। পরের ম্যাচে মালাগাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। শেষে স্পোর্টিং গিজনকে ৬-০ গোলে পরাজিত করে আবারো শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা। পয়েন্ট তালিকায় অবস্থান সেই আগের মতোই।

এর আগের ম্যাচে লা করুনার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিকসহ চার গোল করেছিলেন লুইস সুয়ারেজ। সেই ম্যাচে বার্সা জিতেছিল ৮-০ গোলে। শনিবার রাতে গিজনের বিরুদ্ধেও হ্যাটট্রিকসহ চার গোল করেছেন সুয়ারেজ। অপর দুটি গোলটি করেছেন লিওনেল মেসি ও নেইমার।

৩৫ ম্যাচে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ৮২ পয়েন্ট অ্যাটলেটিকোরও। তবে গোল ব্যবধানে বার্সার চেয়ে পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা। অন্যদিকে ৩৫ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে আগের অবস্থান তৃতীয় স্থানেই নেমে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ। লিগে বাকি রয়েছে তিন ম্যাচ। শিরোপা জেতার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এই তিন দলেরই।

শনিবার প্রথমে রিয়াল, পরে অ্যাটলেটিকো ও বার্সেলোনা জিতেছে নিজ নিজ খেলায়। সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকে বার্সেলোনা ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে হারিয়েছে স্পোর্টিং গিজনকে। অন্যদিকে ৬২ মিনিটে অ্যাঞ্জেল কোরেয়ার একমাত্র গোলে মালাগাকে পরাজিত করে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

ন্যু ক্যাম্পে শুরুতেই ছিল মেসি চমক। ১২ মিনিটে আর্জেন্টাইন এই ফুটবল তারকার গোলে লিড নেয় বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে আরও গোলের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিক শিবির। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় কাতালান শিবির।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬২ মিনিটে বার্সার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুইস সুয়ারেজ। ইনিয়েস্তার পাস থেকে গিজনের জাল কাঁপান আগের ম্যাচে চার গোলসহ হ্যাটট্রিক করা উরুগুয়েন এই তারকা স্ট্রাইকার। ৭৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সুয়ারেজ। স্কোর তখন ৩-০।

সুয়ারেজের সামনে তখন হ্যাটট্রিকের সুযোগ। তিন মিনিট পর তা করেও ফেলেন তিনি। ৭৭ মিনিটে সুয়ারেজের গোলে বার্সা তখন লিড নেয় ৪-০তে। মেসি-সুয়ারেজ গোল পাবে, নেইমার পাবে না, তা তো হয় না। ৮৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নেইমার করেন নিজের প্রথম গোল। তবে গিজনের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেন সুয়ারেজ। ৮৮ মিনিটে করেন নিজের চতুর্থ গোল। শেষ অবধি ৬-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লুইস এনরিক শিবির।

এইচ ই