ম্যাচটি সরাসরি দেখতে কাতারে উপস্থিত হয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তার স্ত্রী ব্রিগিতি ম্যারি-ক্লদে ম্যাক্রোঁ। শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের বরণ করে নেয় কাতার কর্তৃপক্ষ।

ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করতে বিশাল বহর নিয়ে কাতারে আসেন তিনি। তবে ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করতে কাতার যাননি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

জানা গেছে, দেশে নিজ বাড়িতে বসে খেলা দেখবেন তিনি। রোববার এক টুইটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ নিজেই।

টুইটে তিনি লেখেন, আমার নিজ দেশের লাখ লাখ মানুষের মতো, আমিও বাড়িতে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করবো। এমন অসাধারণ মুহূর্তটি আমি আমার দেশের মানুষের সঙ্গে উপভোগ করবো। আমাদের উপস্থিতি টের পাওয়া যাবে মাঠের খেলোয়াড় ও স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে।

এদিকে মরক্কোর বিরুদ্ধে ফ্রান্স যখন সেমিফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল, তখনও মাঠে উপস্থিত ছিলেন ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। ওই ম্যাচ শেষে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর ফাইনালের জন্য আবারও কাতারে আসেন তিনি।

এর আগে ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল ফ্রান্স। সে বছর ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিলেন লেস ব্লুসরা। সেবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ।

আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ:
এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (গোলরক্ষক), নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ানো রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মাটিনেজ/অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, মার্কোস আকুনা, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিজ ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি এবং জুলিয়ান আলভারেজ।

ফ্রান্সের সম্ভাব্য একাদশ:
হুগো লরিস (গোলরক্ষক), হুলেস কুন্দে, রাফায়েল ভারানে, দায়ত উপামেচানো, থিও হার্নান্দেজ, আরুলিন চুয়ামেনি, অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান, আদ্রিয়েন রাবিও, উসমান ডেম্বেলে, অলিভার জিরু, কিলিয়ান এমবাপে।

এন