ইংল্যান্ডে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিতব্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে আর কোনো বাধা থাকল না বাংলাদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে "অভিজাত টুর্নামেন্টে" খেলার সুযোগ পুরোপুরি নিশ্চিত করেছে টাইগাররা।

২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ আট দল (ইংল্যান্ডসহ) খেলার সুযোগ পাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে।

ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর ৯৩ রেটিং নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সাত নম্বরে উঠে আসে বাংলাদেশ। ৮৮.৪ রেটিং নিয়ে অষ্টম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে এক পয়েন্ট কম নিয়ে নবম স্থানে থাকে পাকিস্তান।

৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সফরসূচী অনুযায়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো সিরিজ না থাকায় তাদের রেটিং পয়েন্টে কোনো পরিবর্তনের সুযোগ ছিল না।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩-০ তে ওয়ানডে সিরিজ হারলেও বাংলাদেশের পয়েন্ট হওয়ার কথা ছিল ৮৯.৮। ফলে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ক্যারিবীয়দের চেয়ে বেশি পয়েন্ট থাকায় বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিশ্চিত হওয়ার কথা।

কিন্তু আগস্টে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজের পরিবর্তে ত্রিদেশীয় সিরিজের পরিকল্পনা করে জিম্বাবুয়ে। সেখানে তৃতীয় দেশ হিসেবে যুক্ত হওয়ার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এতে বাংলাদেশের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে।

তখন হিসাব দাঁড়ায় বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি ম্যাচ জিতলে ত্রিদেশীয় সিরিজও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলায় কোনো বাধা হতে পারবে না।

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই সাত উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। ফলে চ্যাম্পিয়র্স ট্রফি নিশ্চিত করে ফেলে টাইগাররা।

জেডআই