স্পোর্টস এন্ড রিক্রিয়েশন কমিশনের (এসআরসি) বিরোধিতা সত্ত্বেও পাকিস্তান সফর নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি)। তিন দিনের দীর্ঘ বিতর্কের পর রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির ক্রিকেট সংস্থা।
গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তান সফর বাতিল ঘোষণা করে সংবাদ বিজ্ঞতি দেয় জেডসি। এর ২০ মিনিট পর আরেক ই-মেইল বার্তায় তারা জানায় যে এটি এখন পযর্ন্ত বাতিল করা হয়নি। এটা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এ সময়ের মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছে যে জেডসি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং আবারও নিশ্চিত করেছে যে সময়সূচী অনুযায়ী সফর হবে।
এদিকে নিরাপত্তা পরামর্শকদের প্রদিবেদন অনুযায়ী পাকিস্তানে কোনো ম্যাচ অফিসিয়াল পাঠাবে না আইসিসি। সংস্থাটি ইতোমধ্যে পাকিস্তানকে নিজেদের আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে।
জিম্বাবুয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাকিস্তান সফর নিরাপদ হবে না বলে জানিয়ে দেয়ার পর দেশটির ক্রিকেটাররা ক্ষতিপূরণ ফরমে স্বাক্ষর করেছে। ফলে এসআরসি তাদেরকে সফরে যেতে অনুমতি দিবে না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের ইচ্ছায় সেখানে যায়। ফরমে এটাই উল্লেখ আছে।
বেশ কয়েক জন খেলোয়াড় দ্বিধাগ্রস্ত ছিল, এমন কি কেউ কেউ নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা ভাবছিল। কিন্তু ভবিষ্যতে নিজের ক্যারিয়ারে এর প্রভাব পড়তে পারে- এমন শঙ্কায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছে তারা।
১৬ সদস্যের জিম্বাবুয়ে দলের সবাই পাকিস্তান সফরে যেতে সম্মত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন দলে ফিরেছেন এবং এক জন অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন। পাকিস্তানে তারা দুটি টি-টোয়েন্টি ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে। আগামী ২২ মে থেকে তাদের এই লড়াই শুরু হতে যাচ্ছে।
২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের বাসের উপর বন্দুকধারীদের হামলার পর এই প্রথম কোনো টেস্ট খেলুড়ে দল পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে আফগানিস্তান ও কেনিয়া দেশটিতে সফর করেছিল এবং কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই সফর শেষ করেছিল।
সশস্ত্র রক্ষীবাহিনী ও সশস্ত্র গাড়ি রক্ষীবাহিনী এবং হেলিকপ্টার টহলের মাধ্যমে জিম্বাবুয়েকে নিরাপত্তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পাকিস্তান।
মে মাসের প্রথম সপ্তাহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখতে পাকিস্তানে এক জন প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল জেডসি। তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
২০১৫ বিশ্বকাপের পর এবং গত সাত বছরের মধ্যে ব্রেন্ডন টেইলরকে ছাড়া এই প্রথম সফর করতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে।
জেডআই





