প্রথম ম্যাচে ১৮৭ রান তুলেও জয় পায়নি চিটাগং ভাইকিংস। ২৩ রানেই রংপুর রাইডার্সের প্রথম সারির চার ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরালেও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় তামিমের দলকে।

সোমবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ১৮০ রান তোলে চিটাগং ভাইকিংস। এদিনও হারের শঙ্কা জেগেছিল শেষ ওভারে।

কিন্তু পাকিস্তানের বোলার আমিরের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত ১ রানের ব্যবধানে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে চিটাগং।

টস হেরে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তোলে চিটাগং ভাইকিংস। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তুলতে সক্ষম হয় সিলেট সুপার স্টারস। ফলে তামিম ইকবালের দল জয় পায় ১ রানে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দিলশানের উইকেটটি হারায় চিটাগং ভাইকিংস। দলীয় ১৪ ও ব্যক্তিগত শূন্য রানে দিলশান আউট হওয়ার পর দলের হাল ধরেন তামিম ও ইয়াসির আলী।

তারা দুজন মিলে দলীয় স্কোরকে টেনে নেন ৯৩ রান পর্যন্ত। এরপর মেন্ডিসের বলে মোহাম্মদ শহীদের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম।

তবে যাওয়ার আগে কাজের কাজ করে যান তিনি। প্রথম ম্যাচে ৫১ রান করার পর এই ম্যাচে তিনি ৬৯ রান করেন। যেখানে ৬টি চারের মার ও ৪টি ছক্কার মার ছিল।

তামিমের পর ঝড় তোলেন ইয়াসির আলী। তিনি ৫২ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৩ রান করেন। জিভান মেন্ডিস করেন ২০ রান।

১৫ রানে অপরাজিত থাকেন জিয়াউর রহমান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে চিটাগং ভাইকিংস।

১৮১ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৬৬ রান তোলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী ও দিলশান মুনাবীরা।

জুনায়েদ সিদ্দিকী ধীর লয়ে ব্যাটিং করলেও মুনাবীরা তাণ্ডব চালান। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভাবে তিলকারত্নে দিলশানের এক ওভারে ছয়-ছয়টি চার মারেন।

মাত্র ৩০ বল খেলে ১৩টি চারের সাহায্যে ৬৪ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত তিনটি উইকেট হারিয়ে বসে সিলেট। কিন্তু মুশফিকুর রহিম হাল ধরেন।

তিনি ম্যাচটি জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েও ফিনিশিংটা ঠিকমতো করতে পারেননি। শেষ ওভারে শেষ বলে জয়ের জন্য ৩ রান প্রয়োজন হলেও মুশফিক নিতে পারেন মাত্র ১ রান।

ফলে ১ রানের ব্যবধানে হেরে যায় সিলেট সুপার স্টারস। ব্যাট হাতে সিলেটের অধিনায়ক মুশফিক ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে চিটাগং ভাইকিংসের শফিউল ইসলাম ৩টি উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন সাঈদ আজমল। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন শফিউল ইসলাম।

এসএইচ