১২৩ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশের হাল ধরেছেন মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমান।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৭৫ রান। মুশফিকুর রহিম ৭৭ ও সাব্বির রহমান ২২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা। আর ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই স্বাগতিক দর্শকদের হতাশ করেন লিটন দাস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুরু থেকেই বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ লিটন তিন নম্বর থেকে এদিন প্রথমবারের মতো ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এদিনও ব্যর্থতার পরিচয় দেন এই ডানহাতি, সাজঘরে ফেরেন উইকেটের প্রকৃতি বুঝে ওঠার আগেই। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জিম্বাবুয়ের পেসার লুক জংউইয়ের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে পয়েন্টে গ্রায়েম ক্রেমারকে ক্যাচ দিয়ে ‘ডাক’ মেরে বিদায় নেন লিটন।
শুরুতেই লিটনের উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন তামিম ইকবাল। তবে বেশিদূর যেতে পারেনি এ জুটি। ইনিংসের নবম ওভারে মাহমুদউল্লাহকে (৯) ফিরিয়ে ২৮ রানের জুটি ভাঙেন তিনাশে পানিয়াঙ্গারা। মাহমুদউল্লাহকে বোল্ড করেন জিম্বাবুয়ের এই পেসার।
৩০ রানেই ২ উইকেট হারানোর পর মাহমুদউল্লাহর ‘ভায়রা ভাই’ মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন তামিম। এই দুজনের ব্যাটে ভালোই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। সিকান্দার রাজার করা ইনিংসের ২৪তম ওভারে প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে দলের স্কোর ১০০ পার করেন মুশফিক। কিন্তু রাজার পরের বলেই ফিরে যান তামিম (৪০)। বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে লুক জংইয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন এই বাঁহাতি। তামিম-মুশফিক তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৭০ রান।
তামিমের বিদায়ের পর মুশফিক ফিফটি তুলে নিলেও নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসা সাকিব আল হাসান দ্রুতই বিদায় নেন। রাজার বল ক্রিজ থেকে বেরিয়ে এসে মারতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন সাকিব (১৬)। আর তার বিদায়ে ১২৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে আবার বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।
এমএইচ





