পাওয়ারপ্লের প্রথম তিন ওভার ছিল বরিশালের। শেষের তিন ওভার নিজেদের করে নিয়েছে রংপুর শিবির। প্রথম তিন ওভারের মধ্যে বরিশাল রংপুরের ১ উইকেট তুলে নিয়ে দিয়েছিল মাত্র ৮ রান। কিন্তু বাকি ৩ ওভারে বরিশালের বোলারদের পিটিয়ে ছাতু বানিয়ে ৪৭ রান তুলেছে রংপুর।
প্রথম পাওয়ারপ্লে শেষে রংপুর তোলে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রংপুরের সংগ্রহ ৭ ওভার ২ বল শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় রংপুর। এদিন বরিশালের পক্ষে বোলিং ইনিংস শুরু করেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বল হাতে নিয়ে প্রথম চার বল ডট দেন নাঈম শেখকে। ডটের চাপে পড়ে মারতে গিয়েই ক্যাচ তুলে দেন নাঈম। সেই ক্যাচ তালুবন্দী করতে কোনো ভুলই করেননি প্রোটিয়ান পেসার ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। কেবল উইকেট নেওয়া নয় সাকিব ওভারটি মেডেন দিয়ে শুরু করেন।
এদিন তিনে পাঠানো হয় শামীম পাটওয়ারিকে। এসেই বল ডট দিয়ে চাপে পড়ে যান এই ব্যাটসম্যানও। নিজের প্রথম রান পেতে শামীমকে খেলতে হয় পাক্কা ৬ বল। রংপুর প্রথম দুই ওভার থেকে তুলতে পারে মোটে ৬ রান।
রংপুরের ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি আসে শামীমের ব্যাট থেকেই। সাকিবের করা দ্বিতীয় ওভার থেকে। সাকিবের করা সেই ওভার থেকে ১ চারে আসে ৬ রান। তবে পরের ওভারে এসে রংপুরের ব্যাটসম্যানরা ১৭ রান তুলে নেয়।
প্রিটোরিয়াসের করা প্রথম বল উড়িয়ে মারেন রনি তালুকদার। অনেকটা সহজ ক্যাচ মাহমুদউল্লাহ মিস করে ছয় দেন রংপুরকে। পরের বল থেকে রনি আদায় করেন চার রান। একই ওভারে শামীম স্ট্রাইক পেয়ে প্রিটোরিয়াসকে আরেকটি ছয় হাঁকান।
সাকিবের করা পরের ওভার থেকে রংপুর আদায় করে নেয় আরও ১৫ রান। সাকিবকে চার-ছয় হাঁকান রনি তালুকদার। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনিও দেন ১৫ রান।
৭ম ওভারে এসে সানজামুল রানের চাকা টেনে ধরেন। দেন মাত্র ৫ রান। পরের ওভারে রাব্বি আসতেই ফেরান দারুণ খেলতে থাকা রনি তালুকদারকে। আউট হওয়ার আগে ২টি করে চার-ছয়ে ১৭ বলে ২৯ রান করেন রনি। মাঠে আছেন শামীম এবং অধিনায়ক সোহান।
এনএইচ





