দলীয় ৬০ রানে সফরকারীদের তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন টেইলর এবং সলোমন মিরে। এ দু’জন মিলে আরো ৬৩ রান তুলেছেন। এক কথায় দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করছে তারা। তবে সফল হয়েছে তা এখনি বলা যাচ্ছে না। কারন জিততে হলে আরো ১৩৪ রান করতে হবে চিগুম্বুরা বাহিনীকে।
পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডেতে জয়ের লক্ষ্যে ফিল্ডিংয়ে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে আসেন ভুসি সিবান্দা এবং হ্যামিলটন মাসাকাদজা। ১১তম ওভারের প্রথম বলে সিবান্দাকে এলবি’র ফাঁদে ফেলেন সাকিব।
কোনো উইকেট না হারিয়ে পাওয়ার প্লে’র ১০ ওভারে সফরকারীরা তুলেছিল ৪৮ রান। পরের ওভারের প্রথম বলে সিবান্দা আউট হওয়ার আগে করেন ১৭ রান। এরপর আরেক ওপেনার মাসাকাদজাকে বোল্ড করে সাজঘরের পথ ধরতে বাধ্য করেন সাকিব। বিদায় নেওয়ার আগে মাসাকাদজা করেন ২৮ রান।
দলীয় ৫১ রানে দুই উইকেট হারানোর পর জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং হাল ধরতে মাঠে আসেন ব্রেন্ডন টেইলর এবং টিমসেন মারুমা। কিন্তু ১৭তম ওভারে জুবায়ের অভিষেক ম্যাচে খেলতে নেমে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান মারুমাকে।
এর আগে বসুন্ধরা সিমেন্ট পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। আগেই সিরিজ জয় করে মিরপুর শেরে-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজে ৩-০তে এগিয়ে থেকে মাঠে নামে টাইগাররা।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাহামুদুল্লাহর অপরাজিত ৮২ রান আর মুশফিকের ৭৭ রানের উপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে টাইগাররা ৮ উইকেট হারিয়ে করে ২৫৬ রান। শেষ দিকে টাইগার দলপতি মাশরাফি ব্যাটে ঝড় তুলে করেন ৩৯ রান।
এর আগে চট্রগ্রামে সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল মাশরাফিরা। প্রথম ওয়ানডেতে ৮৭ রানে আর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬৮ রানের জয় নিয়ে সাগরিকার মিশন শেষ করে টাইগাররা। আর ঢাকায় ফিরে তৃতীয় ওয়ানডেতে ১২৪ রানের বিশাল জয়সহ সিরিজ নিশ্চিত করে তামিম-সাকিব-মুশফিক-মাশরাফিরা।
এএইচ





