এশিয়া কাপের ১৫তম আসর মাঠে গড়ানোর কথা ছিল ২০২০ সালে। বিশ্বব্যাপী মহামারি তৈরি করা ছোঁয়াচে করোনা ভাইরাসের কারণে আসরটি এক বছর স্থগিত করা হয়, যা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে ক্রিকেটেও বিপরীতমুখী অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের। দুই দেশের সম্পর্কের শীতলতা পৌঁছে গেছে ক্রিকেট আঙিনা পর্যন্ত। এরই ধারাবাহিকতায় এশিয়া কাপের ১৪তম আসর ভারতের পরিবর্তে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।
১৫তম আসর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ভারত আবার শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল। শেষপর্যন্ত এই আসর আয়োজনের দায়িত্ব পায় শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজক হিসেবে ঘোষণা করার আগেই অবশ্য করোনা মহামারির কারণে আসে স্থগিতাদেশ।
এশিয়া কাপের আগামী আসর যথারীতি শ্রীলঙ্কাতেই হবে। তবে অধিকার হারাচ্ছে না পাকিস্তানও। দেশটি ২০২২ সালে এশিয়া কাপের ১৬তম আসর আয়োজন করবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান।
ওয়াসিমের দাবি, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বশেষ ভার্চুয়াল সভায় পাকিস্তানকে ২০২২ এশিয়া কাপের আয়োজক হিসেবে নির্ধারণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী এশিয়া কাপ হবে আগামী জুনে, শ্রীলঙ্কায়। আমরা (পাকিস্তান) ২০২২ সালের এশিয়া কাপ আয়োজন করার দায়িত্ব পেয়েছি।’
পাকিস্তানে এশিয়া কাপ আয়োজিত হলে ভারত অংশ নেবে কি না তা বড় এক প্রশ্ন। সম্প্রতি ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরে যেতে পারে বলে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন ওয়াসিম।বিডিক্রিকটাইম
এমবি





