বিশ্বমানের বোলিং ইউনিটের অসাধারণ পারফরমেন্সে আগামী জুলাই আগস্টে শ্রীলংকা সফরে টেস্ট ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের গর্বিত অ্যাওয়ে রেকর্ডটা অক্ষুন্ন রাখতে পারবে বলে অতীব আত্মবিশ্বসী অ্যালান ডোনাল্ড।
ক্রিকিনফো ওয়েবসাইটে ১ নভেম্বর ২০১৩ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বিদেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬ টেস্টে জয়ী হয়েছে,হেরেছে মাত্র ৫টিতে এবং সর্বশেষ ২০০৬ সালে শ্রীলংকা সফরের পর বিদেশের মাটিতে কোন টেস্ট সিরিজ হারেনি প্রোটিয়ারা।
সে পরিসংখ্যান অনুসারে সর্বশেষ অ্যাশেজ সিরিজের আগ পর্যন্ত দ্বিতীয় সেরা দল ইংল্যান্ড বিদেশের মাটিতে ১১টিতে জয় পেয়েছে এবং হেরেছে ১১টিতে। ডোনাল্ড বলেন, কিছুটা ফর্ম হীনতায় থাকা ফাস্ট বোলার মরনে মরকেল শ্রীলংকা সফরে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৬৩.৫০ গড়ে মাত্র ছয় উইকেট শিকার করেছেন মরকেল। তার চেয়ে কিছুটা ভাল করা ভারনন ফিলান্ডার ৫১.৭১ গড়ে শিকার করেছেন সাত উইকেট।
গত সপ্তাহে বাংলাদেশে সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক নম্বর গ্রুপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তিন ওভার বোলিং করে ৫০ রান খরচ করার পর দল থেকে বাদ পড়েন মরকেল।
ডোনাল্ড বলেন, ‘দল থেকে বাদ পড়ার পর সে খুবই হতাশ ছিল। তবে গর্ব করার মত খেলোয়াড় মরকেল এবং সে ঘুরে দাঁড়াবে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে শেষ তিন ওভারে শ্রীলংকা মাত্র ১৯ রান হজম করেছে। অত্যন্ত কার্যকরভাবে তারা ওয়াইড ইয়র্কার ব্যবহার করেছে এবং যুবরাজ ও ধোনিকে রান পেতে রীতিমত সংগ্রাম করতে হয়েছে।
পক্ষান্তরে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় পেতে শেষ চার ওভারে ভারতের দরকার ছিল ৪০ রান। ইনিংসের ১৭তম ওভারে ওয়েন পারনেল ১৭ রান দেয়ায় ৫ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ভারত।
কিন্তু তারপরও দলের পেসারদের প্রতি অগাধ আস্থা ডোনাল্ডের। এমনটা কখনো কখনো হতেই পারে। যাতে এমনটা না ঘটে সেজন্য অনুশীলন সময়ে বিভিন্ন দাওয়াই বাতলে দেয়া হচ্ছে। কর্ম পরিকল্পনায় কোন ঘাটতি নেই এবং সকলেই সেটা প্রশংসা করছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘যে সকল সাবেক খেলোয়াড় আমাদের অনুশীলন দেখেছেন আমাদের কর্মপদ্ধতিতে তারা বেশ উচ্ছ্বসিত। বিষয়টা এমন নয় যে আমাদের অনুশীলনের মান খারাপ। মুল সমস্যা বাস্তবায়ন ও ম্যাচ পরিকল্পনায়।
‘কখনো কখনো একজন ব্যাটসম্যান আপনার গেম প্লান নষ্ট করে দিতে পারে এবং সেটাই ঘটেছে বলে আমি মনে করি।’