উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে প্রথম লেগের লড়াইয়ে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে দিয়েছে জুভেন্টাস।

মঙ্গলবার রাতে জুভেন্টাস স্টেডিয়ামে ২-১ গোলে জেতে সেরি আ চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ের ফলে ফাইনালে উঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল দীর্ঘ দিন পর সেমিতে খেলার সুযোগ পাওয়া ইতালিয়ান ক্লাবটি।

এদিকে ফাইনালে উঠতে নিজেদের মাঠ স্যান্টিয়াগো বার্নাব্যুতে জয়ের বিকল্প নেই রিয়ালের। আগামী বুধবার কমপক্ষে ১-০ গোলে জিততে হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদেরকে।

ম্যাচে আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে জুভেন্টাস। দ্রুত ফলও পেয়ে যায় তারা। খেলার ৮ মিনিটে আলভারো মোরাতার গোলে এগিয়ে যায় দলটি।

গোলটিতে বড় ভূমিকা ছিল কার্লোস তেভেসের, ডান দিক থেকে এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের নিচু করে মারা শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক, কিন্তু বল বিপদমুক্ত করতে পারেননি ইকার কাসিয়াস। গোলমুখের সামনে থেকে বিনা বাধায় লক্ষ্যভেদ করেন রিয়ালেরই সাবেক স্ট্রাইকার মোরাতা।

২৩তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে সমতায় ফেরার সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মাঝ মাঠের কাছ থেকে ইসকোর লম্বা করে বাড়ানো বল ধরে ডি বক্সে ঢুকে পড়লেও লক্ষভ্রষ্ট শট নেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

চার মিনিট বাদে অবশ্য ব্যর্থ হননি রোনালদো। ডান দিক থেকে জেমস রদ্রিগেজের আড়াআড়ি উঁচু করে বাড়ানো বলে ছোট ডি বক্সের মধ্যে হেড করে রেকর্ড গড়া গোলটি করেন এবারের ফিফা ব্যালন ডি'অর জয়ী।

ইউরোপের সেরা ক্লাব টুর্নামেন্টে রোনালদোর এটা ৭৬তম গোল। সমান ৭৫ গোল নিয়ে বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন তিনি।

৪১তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেলেও ভাগ্যের ফেরে হতাশ হতে হয় রিয়ালকে। বাঁ-দিক থেকে ইসকোর দেয়া ক্রসে শূন্যে উঠে হেড করেছিলেন রদ্রিগেজ, কিন্তু বল পোস্টে লাগে।

দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে ভালো একটা আক্রমণ করে জুভেন্টাস, কিন্তু তেভেসের সোজা করে মারা জোরালো শট সহজেই ধরে ফেলেন কাসিয়াস।

৫৬তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে বল নিয়ে ক্ষিপ্র দৌড়ে রিয়ালের ডি বক্সে ঢুকে পড়েন তেভেস। কিন্তু পেছন থেকে তাকে দানি কারবাহাল ফাউল করলে পেনাল্টি পায় জুভেন্টাস। তা থেকেই ফের দলকে এগিয়ে দেন তেভেস।

এরপর আর কোনো দলই গোল করতে পারেনি। ফলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুভেন্টাস।

জেডআই