নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে এখন আর কোনো বাধা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবার রেখে সাকিবের দেশে ফেরাটাও ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের অংশ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৭ নভেম্বর) করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা করাবেন তিনি।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশ ফেরত সবাইকেই মেনে চলতে হবে হোম কোয়ারেন্টিন। অবশ্য দেশে এখন করোনার আতঙ্ক অনেকটাই উবে গেছে। জনমনে সচেতনতাও নেই আগের মত। দেশে পা রেখে সাকিবও ব্যস্ত হয়ে পড়েন একটি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির ভূমিকায়।

খানিকটা তাই সমালোচনাও হল দিনভর। যদিও দেশে ফেরার পথে দুবাইয়ে সাকিব করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন, সেই পরীক্ষায় ভাইরাসের উপস্থিতিও মেলেনি- এ খবর জানেন না অনেকেই।

তবে সাকিব শনিবার আবারো করাবেন করোনা পরীক্ষা। সেই পরীক্ষার ফলও পাওয়া যাবে শনিবারই, যেখানে জানা যাবে সাকিবের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি আছে কি না। ভাইরাসমুক্ত থাকলে সাকিব নামবেন অনুশীলনে।

গেল সেপ্টেম্বরে বিকেএসপিতে নীরবে-নিভৃতে ব্যক্তিগত অনুশীলন সারতে হলেও এখন মিরপুরে বিসিবির সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেই করতে পারবেন অনুশীলন।

শনিবারের পরীক্ষার ফল ‘নেগেটিভ’ এলেও আবারো সাকিবকে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে ফিটনেস পরীক্ষার আগে। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে অংশগ্রহণকারী যে ক্রিকেটাররা পূর্ববর্তী ক্যাম্পে ছিলেন না, তাদের ফিটনেস পরীক্ষা নেবে বিসিবি।

সেই পরীক্ষার আগে আরেক দফা করোনা পরীক্ষা করাবেন সাকিব। সেখান থেকে করোনা ‘নেগেটিভ’ সনদ নিয়েও দিতে হবে ফিটনেস পরীক্ষা, এমনটিই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। বিডিক্রিকটাইম

এমবি